নিয়োগ বাণিজ্যে টাকা আত্মসাত

দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি-প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

২১ আগস্ট ২০২৩, ০৫:৫৬ PM , আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৫, ১১:০৫ AM
দুদক

দুদক © সংগৃহীত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য আব্দুস সাত্তারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নিয়োগের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২১ আগস্ট) সংস্থাটির উপপরিচালক মো. আল আমিন যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আব্দুস সাত্তার ছাড়া অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন- যবিপ্রবির উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আব্দুর রউফ এবং ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য মো. কামাল উদ্দিন। তাদের বিরুদ্ধে ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। অবৈধ নিয়োগের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিন জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় এ মামলা করে দুদক।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৯ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে আবেদন করেন আব্দুর রউফ। নিয়োগের জন্য গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট বাছাই বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন উপাচার্য ড. মো. আব্দুস সাত্তার। সে বাছাই বোর্ডের আরেক সদস্য ছিলেন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. কামাল উদ্দিন। ওই বছরের ২২ আগস্ট মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ সময় আরও তিন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু কাউকে পাস করানো হয়নি।

আরও পড়ুন: ফুলপরীকে নির্যাতন: ৫ ছাত্রলীগ নেত্রীকে ইবি থেকে আজীবন বহিষ্কার

অন্যদিকে, বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুর রউফের কোনো পূর্ব-অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও বাছাই বোর্ড অবৈধভাবে তাকে প্রথমে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া চেষ্টা করে। পরে অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেকশন অফিসার (গ্রেড-১, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। রিজেন্ট বোর্ড সভাপতি হিসেবে সাবেক উপাচার্য আব্দুস সাত্তার উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তাকে সেকশন অফিসার হিসেবে নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

আব্দুর রউফ সেকশন অফিসার পদে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় সিলেকশন গ্রেডসহ বিভিন্ন সুবিধাপ্রাপ্ত হয়ে বিভাগীয় প্রার্থীর সুবিধা নিয়ে ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে এবং ২০২১ সালে উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত তার বেতন-ভাতাবাবদ মোট ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ হয় বলে দুদকের অনসুন্ধানে প্রমাণ হয়।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট স্কুলছাত্রকে উদ্ধারে গিয়ে একই পরিবারের দুইজন…
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
খাটে ছেলের মরদেহ, ফ্যানে ঝুলছিলেন মা
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
জগন্নাথ হলে কবি নজরুল কলেজছাত্রকে রাখা নিয়ে তর্ক-বির্তক, ঢা…
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
জুয়া খেলার সময় জামায়াত নেতার ভাইসহ আটক ৬
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
গুচ্ছের বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইবি কেন্দ্রে উপস্থিতি ৮৬ …
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬