এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস শেষ করা বড় চ্যালেঞ্জ: শিক্ষামন্ত্রী

১৮ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫১ PM

© টিডিসি ফটো

করোনা সংক্রমণের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা সরকার ভাবছে না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার উপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সমস্ত প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও করোনার কারণে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। আসন্ন ২০২১ সালে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস না হওয়ায় সিলেবাস সমাপ্ত করা এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তাছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাসসমূহ অনলাইনে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের শিশুরা সাইকলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) রাতে শিক্ষামন্ত্রীর হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে করোনাকালীন ও করোনা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ। এখানে ফিজিক্যাল ডিসটেন্স মেইনটেইন করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে শিশুদের সাথে তাদের অভিভাবকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেতে হয়। সে ক্ষেত্রে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। যদি ও শিশুদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম কিন্তু তারা নিরব বাহক হতে পারে। অন্যদিকে এই পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চান না। তাই সরকার এই পরিস্থিতিতে বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার উপর গুরুত্বারোপ করছে।

ডা. দীপু মনি বলেন, বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারী করোনার কারণে আমাদের শিক্ষাখাত নানা রকমের ঝুঁকিতে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ রয়েছে। যার ফলে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেক শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মান সম্মত শিক্ষা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন করোনায় শিক্ষাখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদেরকে সহায়তা করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারপরও আমাদের প্রায় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় ১০ শতাংশ অনেক বড় একটি সংখ্যা। আমরা কোন একজন শিক্ষার্থীকে পেছনে রেখে আগাতে চাইনা। 

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো এর নেতৃত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ টোমো হোযুমি। এ মতবিনিময় সভায় আর ও উপস্থিত ছিলেন কারিগরিও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামানিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডঃ সৈয়দ গোলাম ফারুক প্রমুখ।

সভায় মিয়া সেপ্পো করোনাকালীন সময়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম ও অনলাইন ক্লাস চালু করায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানতে চান।

লক্ষ্মীপুরে স্কুল ছাত্রদের মাঝে ছাত্রদলের ক্রীড়া সামগ্রী বি…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
বিএমইউতে লেজারস ইন ডেন্টিস্ট্রি শীর্ষক লেকচার ও লাইভ ডেমো অ…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
মুকসুদপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
ফুটপাতের দোকান থেকে পিয়াজু খেয়ে অসুস্থ ৯ শিক্ষার্থী
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রাথমিক শিক্ষায় কমিউনিটির সম্পৃক্ততা বাড়াতে প্যারেন্ট সার্…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
সুগন্ধি চাল রফতানিতে কঠোর অবস্থান সরকারের
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬