প্রতিষ্ঠান প্রধান হতে পেতে হবে ৫০ শতাংশ নম্বর, মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হবে তিনগুণ প্রার্থীকে

২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৬ PM , আপডেট: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৬ PM
শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় © টিডিসি ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও মানসম্মত করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। উদ্যোগের অংশ হিসেবে এনটিআরসিএর মাধ্যমে এসব পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) খসড়া চূড়ান্ত করতে সভা ডেকেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

খসড়া অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট প্রধান পদে নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনা করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসি)। সর্বশেষ জারিকৃত এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শূন্য পদের চাহিদা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে এনটিআরসির কাছে পাঠাতে হবে। 

শূন্য পদের চাহিদা যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করা হবে।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বণ্টন এবং সময়সূচি নির্ধারণ করবে এনটিআরসি। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পদভিত্তিক শূন্য পদের তিন গুণ সংখ্যক প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে।

মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে শূন্য পদের সমসংখ্যক প্রার্থীর একটি প্যানেল তালিকা প্রস্তুত করা হবে। সব পরীক্ষার ফলাফল ও কৃতকার্যতা নির্ধারণে এনটিআরসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খসড়া পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচিত প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে একজন করে প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করা হবে। কোনো প্রার্থী শূন্য পদের চাহিদাজনিত বা প্রাতিষ্ঠানিক কারণে যোগদান করতে না পারলে, মেধাক্রম অনুযায়ী প্যানেল তালিকার পরবর্তী প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশ দেওয়া হবে।

এনটিআরসি নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তা অবহিত করবে। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে নির্ধারিত ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান করতে হবে।

তবে জনবল কাঠামো অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকলে কোনো প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। এছাড়া আদালতে বিচারাধীন কোনো ফৌজদারি মামলায় সংশ্লিষ্ট থাকলেও প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে বলে খসড়া পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ: মাউশি
এমপির মধ্যস্থতা, ছাত্রদল নেতাদের বহিষ্কারাদেশ পুনঃ বিবেচনার…
  • ০৩ মে ২০২৬
ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়াতে চান যবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ
  • ০৩ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাকা ধান তলিয়ে যেতে দেখে কৃষকের মৃত্যু
  • ০৩ মে ২০২৬
এনসিপি’র সমর্থনে ‘জাতীয় প্রতিবন্ধী নাগরিক শক্তির’ আত্মপ্রকাশ
  • ০২ মে ২০২৬
‘যাকাতের চেয়ে চাঁদাবাজি ভালো’— বিএনপি নেত্রীর বক্তব্যের প্র…
  • ০২ মে ২০২৬
খুবিতে ‘চা গরম’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  • ০২ মে ২০২৬