ছোটবেলায় স্কুল পালায়নি এমন মানুষ খুঁজলে হয়তো কমই পাওয়া যাবে। শৈশবে দলবেঁধে স্কুল পালানোর এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেকেরই। অন্যদিকে, সন্তান স্কুল থেকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে গেল কিনা, তা নিয়েও বেশ চিন্তায় থাকেন অভিভাবকরা। তবুও থেমে থাকে না তাসনুভার দলবেঁধে স্কুল পালানো। আজকে সব বান্ধবীরা মিলে স্কুল পলালাম এখন ড্রেস পাল্টে এখন পার্কে আড্ডা দিচ্ছি। স্কুলড্রেসে স্কুল থেকে পালালে যে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি তাই ড্রেস পাল্টেই আজকেই এই ফাঁকিবাজি আমার।
.jpg?1576481105502)
তবে স্কুল পালানোর উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো বিশ্লেষকরা মনে করেন—(১) রাগী বা কড়া শিক্ষকের পড়া মুখস্থ না হওয়া। (২) হোমওয়ার্ক বা হাতের লেখার খাতা না আনা। (৩) কোনো শিক্ষকের পড়ানোর ধরণ ভালো না লাগা। (৪) দুষ্টু বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে আড্ডামারা। (৫) মনিং শোয়ে নতুন সিনেমা দেখা। (৬) পাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে ক্রিকেট/ফুটবল/কেরাম খেলা। (৭) দোকানে গিয়ে ভাড়ায় ভিডিও গেম খেলা। স্কুল পালিয়ে ধরা খেলে শিক্ষকরা যে ধরনের শাস্তি দিয়ে থাকেন তা হলো—কান ধরে বেঞ্চের ওপর দাঁড় করিয়ে রাখা।
.jpg?1576481174923)
টেবিলের নিচে মাথা গুঁজে দাঁড় করিয়ে রাখা। হাঁটুর নিচ দিয়ে হাত ঘুরিয়ে ব্যাঙের মতো কান ধরিয়ে রাখা। একসঙ্গে দুজন স্কুল পালানো আসামি ধরা পড়লে পরস্পরের কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা। মেয়ে সহপাঠীদের সামনে অপমান করা। অভিভাবক ডেকে বিচার দেওয়া কিংবা তাদের সামনেই বকা দেওয়া। স্কুল পালানো ভালো নয়’ প্রবাদ বাক্যে থাকলেও ছোটবেলায় স্কুল পালায়নি এমন মানুষ নেই। অতএব স্কুল যেমন আছে স্কুল পালানোও থাকবে। তবে বেশি নয় কম পালানোই ভালো।