চিনির দাম কেজিতে আরও ২৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব

১৯ জুন ২০২৩, ০৭:১৬ PM , আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫৩ PM

© ফাইল ছবি

প্রতি কেজি চিনির দাম আরো ২৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব শুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের। আগামী ২২ জুন থেকে এই দাম কার্যকর করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে তারা চিঠি দিয়ে দিয়েছেন। আজ সোমবার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাণিজ্য সচিব বরাবর বাড়ানোর কথা জানিয়ে ওই চিঠি পাঠানো হয়।

আইন অনুযায়ী, চিনি, ভোজ্যতেলসহ কিছু আমদানি পণ্যের দাম বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে সরকার নির্ধারণ করে। চিনিসহ এসব ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াতে সম্প্রতি সরকারের দ্বারস্থ হন। এতে ব্যর্থ হয়ে তারা নিজেরাই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরো পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রীর অনুষ্ঠানে লোডশেডিং, ‘স্মার্ট’ বলে শিক্ষার্থীদের হাততালি

বর্তমানে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, প্রতিকেজি খোলা চিনির দাম ১২০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি ১২৫ টাকা। তবে সরকাররে বেঁধে দেয়া দামে এই পন্য বিক্রি করতে নারাজ ব্যবসায়ীরা। বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকায়। 

আগামী ২২ জুন থেকে প্রতিকেজি খোলা চিনির দাম ১৪০ টাকা এবং প্যাকেট চিনির দাম ১৫০ টাকা নির্ধারণের কথা প্রস্তাব করেছে শুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। গত ৬ জুন এই অ্যাসোসিয়েশন খোলা চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা এবং প্যাকেট চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বাড়াতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে একটি চিঠি দেয়।

আমদানিকারকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে দাম বাড়ানো হবে না উল্লেখ করে সেই সময় সরকার আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম এবং আনুষঙ্গিক খরচ পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান। 

এর আগে গত ১১ মে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম বাড়ায় দেশের বাজারে প্রতি কেজিতে ১৬ টাকা দাম বাড়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেই অনুযায়ী, খোলা চিনির দাম প্রতিকেজি ১২০ টাকা এবং প্যাকেট চিনির কেজি ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ওই দর  মানেনি আমদানিকারক ও খুচরা ব্যবসায়ীদের কেউই। খোলা ও প্যাকেট উভয় চিনিই বাজারে বিক্রি হচ্ছে বেশি দরে। রোজার ঈদের পর থেকে প্যাকেটজাত চিনির সংকটও বাজারে লক্ষ করা গেছে।  

বিশ্ববাজার থেকে প্রতি টন অপরিশোধিত চিনি ৬৪০ থেকে ৬৫০ ডলার দিয়ে কিনতে হচ্ছে বলে ট্যারিফ কমিশনে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেন আমদানিকারকরা। এতে বলা হয়, এসব চিনি খালাস হচ্ছে এবং প্রসেস করে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। আমদানি মূল্য, ডলারের বিনিময় হার, বর্ধিত ব্যাংক সুদ, জাহাজ বিলম্বিত জরিমানা এবং স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলগুলোর উৎপাদন খরচ বিবেচনা করে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

ট্যাগ: জাতীয়
পে-স্কেল ও জাতীয়করণসহ ১০ দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মসূ…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
নিজ বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের গলা কাটা লাশ, সবশেষ যা জা…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
জবির বাসে হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের নিন্দা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
দেড় বছরেও মেরামত হয়নি কবি নজরুল কলেজের জানালার ভাঙা কাচ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
একাদশে ভর্তির দৌড়: রাজধানীর সেরা কলেজ কোনগুলো, পছন্দের শীর্…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬