বিএড স্কেলে ভুল আবেদন শিক্ষকদের, করণীয় জানাল মাউশি

১০ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ PM , আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ PM
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর © টিডিসি সম্পাদিত

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা উচ্চতর স্কেল (বিএড স্কেল) পেতে ভুল সাল দিয়ে আবেদন করে বিপাকে পড়েছেন। আবেদনের সময় ২০২৪ সালের পরিবর্তে ২০২৩ সাল উল্লেখ করায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিজোড় মাস হিসেবে নির্ধারিত সময়ে সফটওয়্যারে ২০২৪ সাল যুক্ত করা হয়েছে। তবে অপেক্ষা না করে অনেক শিক্ষক ২০২৩ সালে আবেদন করেছেন। 

ভুল আবেদন করা শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএড স্কেলের জন্য বিজোড় মাসে আবেদন করতে হয়। ২০২৪ সালের পরীক্ষা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফল প্রকাশিত হয় ২০২৬ সালের ৭ মে। নিয়ম অনুযায়ী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এক বছরে বিএড শেষ করলেও সেশন জটের কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দুই বছরে শেষ করে এবং ফল প্রকাশ করে। এর ফলে বিএড স্কেল পেতে ৩০ মে পর্যন্ত সফটওয়্যারে পাসের সাল ২০২৪ না থাকায় এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত সহকারী শিক্ষকরা ২০২৩ সাল উল্লেখ করে আবেদন করেন। এতে বিএড স্কেল গ্রহণযোগ্য হবে কিনা তা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শিক্ষকরা। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশির বেসরকারি কলেজ শাখার (কলেজ শাখা-২) উপ-পরিচালক শফি মাহমুদ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, যেসব শিক্ষক ভুল আবেদন করেছেন, তাদের জেলা/উপজেলা অফিসে যোগাযোগ করতে হবে, পরে নিয়ম অনুযায়ী আঞ্চলিক অফিস থেকে আমাদের জানালে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন : বদলি সফটওয়্যারে একসঙ্গে লক্ষাধিক হিট, ভোগান্তির শিকার শিক্ষকদের যে পরামর্শ মাউশির

জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) ২০২৪ সালের পরীক্ষা ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় বিএড পাস করেছেন প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী। আর বিএড স্কেলের জন্য প্রায় ৫ হাজার ১৪৯ জন শিক্ষক চলতি বছরের মে মাসে আবেদন করেছেন। এরমধ্যে যেসব শিক্ষক ২০২৪ সালে পাস করে মাউশির ইএমআইসেলের সফটওয়্যারে থাকা ২০২৩ সালে ভুলে আবেদন করেছেন, তাদের বেতন স্কেল যুক্ত হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী ‍প্রতি বিজোড় মাসে বিএড স্কেলের জন্য সহকারী শিক্ষকরা বিএড স্কেলের জন্য আবেদন করে থাকেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব শিক্ষক ২০২৩ সালের পরীক্ষায় পাস করেছিলেন তারা চলতি বছরের জানুয়ারি ও মার্চ মাসে তাদের ফাইল সম্পন্ন করেছেন। ফলে ২০২৪ সালের পরীক্ষায় ২০২৬ সালের ৭ মে পাস করা শিক্ষরা বিজোড় মাস হিসেবে মে মাসে আবেদন করার সুযোগ পান। ফলে অনেকে সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে ভেবে ৩০ মে সফটওয়্যারে থাকা ২০২৩ সালে আবেদন করেন। কিন্তু ৩১ মে সফটওয়্যারে ২০২৪ যুক্ত করা হয়। এতে শিক্ষকরা বিভ্রান্তিতে পড়েন এবং বিএড স্কেল যুক্ত হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েন।    

পঞ্চগড়েরর একটি স্কুলে কর্মরত ভুক্তভোগী শিক্ষক তমাল হাসান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪ সালের পরীক্ষা ২০২৬ সালে হয় এবং ৭ মে আমাদের ফলাফল হয়। ফলে বেজোড় মাস হিসেবে ৩০ মে সফটওয়্যারে ২০২৩ সালে আবেদন করি। আবেদনের সময় সফটওয়্যারে ২০২৪ সাল না থাকায় এ সালে আবেদন করে ফেলি। নিয়ম অনুযায়ী পাস সনে আবেদন করতে হয়, সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে এ কাজটা করি। আমার মতো কয়েক হাজার শিক্ষক এ কাজটি করেছেন। ভুল সনে আবেদন করায় আমার বিএড স্কেল হবে কীনা জানি না। তারমতো আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষক এ সমস্যা ও ভুলের কথা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান।

ট্যাগ: মাউশি
বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করার স্বপ্ন দেখছেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাই…
  • ১০ জুন ২০২৬
চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোয় বিশেষ গোষ্ঠী জড়িত কীনা— খত…
  • ১০ জুন ২০২৬
এবারের বাজেটে কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম
  • ১০ জুন ২০২৬
ভারতের ভয়ঙ্কর আগ্রাসী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ‘পুশইন’
  • ১০ জুন ২০২৬
১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনছে সরকার 
  • ১০ জুন ২০২৬
২০২৪ সালের মেয়াদোত্তীর্ণ স্যালাইন ২০২৬ সালে রোগীর দেহে পুশ
  • ১০ জুন ২০২৬