সার্ভারের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে: মাউশি ডিজি

১০ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ PM
মাউশি ডিজি

মাউশি ডিজি © ফাইল ফটো

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। একসঙ্গে লক্ষাধিক ক্লিক পড়ায় সার্ভার ডাউন হয়ে যায়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা শিক্ষকদের তথ্য দিতে পারেননি। বিষয়টি সমাধানে সার্ভারের ক্যাপাসিটি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

সার্ভার ডাউন এবং তথ্য দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘সার্ভার ডাউনের বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। সার্ভারের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করলে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।’

প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের তথ্য দেওয়ার সময় বৃদ্ধি করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মাউশি ডিজি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে পারবো না।’

এদিকে বুধবার দুপুরে লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারী একসঙ্গে সফটওয়্যারে হিট করেন। তবে তাদের অধিকাংশই সফল হননি। একসঙ্গে একাধিক হিট হওয়ায় সাময়িকভাবে সফটওয়্যার ডাউন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে মাউশি।

গত ১৮ মে শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার আপডেট করে সেটি মাউশিকে অবহিত করা হয়। গত ১০ মে সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার আপডেট করতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে চিঠি পাঠায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

গত ৬ মে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সংশোধিত নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূণ্যপদের চাহিদা বা বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে।

প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের আবেদন আহবান করবে। সমস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান বা একই বিষয়ের শিক্ষক সমপদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বৎসর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

আবেদনকারী শিক্ষক তার চাকরির আবেদনে উল্লেখকৃত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোন জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবে। 

এছাড়াও আবেদনকারী শিক্ষক স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল জেলায় (সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) বদলির আবেদন করতে পারবে। প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করার জন্য যোগ্য হবেন।

এর আগে নীতিমালাটি অনুমোদন দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জারির পাশাপাশি নীতিমালাটি ওয়েবসাইটে আপলোডের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে এবং দ্রুতই তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, সাবেক সম…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
খালি পেটে সাদা মাখন খেলে ওজন কমে, নাকি রক্তে কোলেস্টেরল বাড়…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী পিঠালি, শত বছরের স্বাদে আজও জমে ওঠে উ…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
বদলির আইডি-পাসওয়ার্ড না পেলে পাঠাতে হবে মেসেজ, জেনে নিন নিয়ম
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
ইংরেজিতে ভয়: কেন শিখব
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
তা’মীরুল মিল্লাতের তামিম পেলেন ইন্দোনেশিয়ার ফুল-ফান্ডেড স্ক…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬