তাকবির ইসলাম খানের ভিডিও বার্তা © ফাইল ফটো
বগুড়ায় নিজ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ছুরিকাঘাতে নিহত জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাকবির ইসলাম খানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে হামলার ঘটনা ওই ভিডিও বার্তায় বলে গেছেন তাকবির। এমনকি হামলার সঙ্গে কারা কারা জড়িত তাদের নামও বলে গেছেন ভিডিওতে। তাকবিরের ওই ভিডিওটি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের হাতে এসেছে।
১ মিনিট ১৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিও বার্তায় তাকবির বলেন, রাতে আমার উপর পাইপ, রড ও চাপাতি দিয়ে হামলা চালানো হয়। আমার মাথার পেছনে চাপাতি দিয়ে আঘাত করা হয়। বা হাতের কবজিতে আঘাত করা হয়। কোমড়ের নিচে দুইটি স্টেপ (ছুরিকাঘাত) করা হয়েছে। যেটি ৮ ইঞ্চি পর্যন্ত গর্ত হয়েছে। এটি রউফ (বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক) নিজেই করেছে।
এদিকে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সামনে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন রয়েছে। এই সম্মেলনে রউফ এবং তাকবির দুজনই জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হতেন। এটি নিয়েই মূলত তাদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। যার ফলে তুচ্ছ ঘটনায় তাকবিরকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
এদিকে তাকবির হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুর রাজ্জাক তিতাস। তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, তাকবির হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাতে বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাত মাথায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রউফ এবং তাকবিরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তাকবিরসহ একাধিক ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বেলা ৩টায় ছাত্রলীগ নেতা তাকবির মারা যান।