প্রতীকি ছবি © ফাইল ফটো
এক কিশোরীকে জবাই করে হত্যার পর হত্যাকারী কিশোর মুফিজুর রহমান (১৭) নিজে নিজে ছুরিকাঘাতে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। এতে মুমূর্ষু অবস্থায় মুফিজুর রহমানকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে। নিহত কিশোরীর নাম খুরশিদা বেগম (১৪) । মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার থোয়াইংগ্যাকাটা এলাকা থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত খুরশিদা ওই এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের মেয়ে ও গোয়ালিয়া পালং মহিলা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। আহত মুফিজুর একই এলাকার মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন।
জানা গেছে খুরশিদা এবং আহত মুফিজুর সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে দুজনের মনোমালিন্যের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে।
খুনিয়া পালং ইউনিয়নের সদস্য সুলতান জানান, মঙ্গলবার দুপুরে মুফিজুর খুরশিদার বাড়িতে গিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এরপর ঘরের বাইরে এসে সে নিজের শরীরে ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এসময় গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
রামু থানার ওসি মো. আবুল খায়ের জানান, সন্ধ্যায় স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুফিজুরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশংকাজনক।