নুসরাত হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০২:৫৭ PM
নুসরাত জাহান রাফি

নুসরাত জাহান রাফি © ফাইল ফটো

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পুড়িয়ে হত্যা মামলার রায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে। ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

ফেনী, সোনাগাজীসহ গোটা দেশবাসী এই রায়ের অপেক্ষায়। নুসরাতের মা শিরিন আখতারসহ তার স্বজনদের দাবি, আসামিদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবীও সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করছেন। একই প্রত্যাশার কথা শোনা যাচ্ছে ফেনীর নাগরিকসমাজেও। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই কামনা করছেন তারা।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও ফেনী জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট শাহজাহান সাজু বলেন, মাত্র ৬১ কার্য দিবসে ৮৭ আসামির সাক্ষ্যগ্রহণ এবং যুক্তিতর্ক গ্রহণ। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসেও নেই। এত অল্প সময়ের মধ্যে এমন চাঞ্চল্যকর মামলার নিষ্পত্তি একটি বিরল ঘটনা। আমরা আশা করি সুবিচার পাবো, আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান বলেন, ন্যায় বিচারে আসামিরা খালাস পাবেন। কারণ রাষ্ট্রপক্ষ তাদের মামলার কিছুই প্রমাণ করতে পারেনি।

চাঞ্চল্যকর এই মামলায় উভয়পক্ষের শুনানি শেষ হয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর। এরপরই আদালত রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেন। মামলার বিচারকাজ শুরুর ৬২ দিনের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে ফেনী সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলীম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে চলতি বছরের ২৬ মার্চ ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা তাঁর অফিসকক্ষে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ মামলায় গত ২৭ মার্চ পুলিশ অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাকে গ্রেফতার করে।

সিরাজ-উদ-দৌলার নির্দেশে মাকসুদ কমিশনার, সাহাদাত হোসেন শামীম তাঁদের অনুসারীদের নিয়ে অধ্যক্ষের মুক্তির দাবিতে সোনাগাজী বাজারে মানববন্ধন করে এবং থানা ঘেরাও করার চেষ্টা করে। একই সঙ্গে সিরাজ-উদ-দৌলার অনুসারীরা নুসরাতকে মামলাটি উঠিয়ে নেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু নুসরাত মামলা উঠিয়ে নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

পরে গত ৬ এপ্রিল সকালে নুসরাত আলিমের আরবি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসায় গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে ডেকে কৌশলে মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে যায়। পরে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। দগ্ধ নুসরাত ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পর ১০ এপ্রিল রাতে মারা যান।

পরদিন ১১ এপ্রিল বিকেলে সোনাগাজীতে জানাজা শেষে নুসরাতকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে ৮ এপ্রিল নুসরাতকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। পরে সেটি হত্যা মামলায় রুপ নেয়।

রাবিতে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য অভিযান, কয়েকটি দোকানে জরিমানা
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
এসএসসি চলাকালীন বন্ধ হচ্ছে না কোচিং? যে ইঙ্গিত মিলল শিক্ষাম…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
এবারের এসএসসি হবে পরীক্ষার্থীবান্ধব: শিক্ষামন্ত্রী
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
এএসআই নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ পুলিশ, আবেদন শুরু ২৮ এপ্রিল
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় অনিশ্চিত ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরী…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
এসএসসিতে নেই মানবিক নম্বর, প্রশ্নফাঁস-অনিয়ম রোধে হোয়াটসঅ্য…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬