মতলব উত্তরে অনলাইন প্রতারক চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৪

১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪২ PM
গ্রেপ্তার চারজন

গ্রেপ্তার চারজন © টিডিসি

ফার্নিচার ব্যবসার প্রলোভনে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ওই চক্রের মূল হোতাসহ চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে বিপুল পরিমাণ ব্যাংক চেক বই ও ডেবিট কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) মতলব উত্তর থানা পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ​

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নোয়াখালী জেলার কবিরহাট থানার জহিরুল ইসলাম (২২) নামের এক যুবক ১১ জানুয়ারি মতলব উত্তর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি জানান, অনলাইনে হেদায়েত উল্লাহ ওরফে মনির নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সখ্য গড়ে ওঠার পর তাকে ফার্নিচার ব্যবসার লোভনীয় অফার দেওয়া হয়। প্রতারক চক্রটি জহিরুলের কাছ থেকে নগদ অ্যাকাউন্ট ও ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন দফায় মোট ৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ​অভিযোগ পাওয়ার পর চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার রবিউল হাসানের নির্দেশনায় এবং মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীব ও মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসানের তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযান শুরু হয়। ​

এসআই মো. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল প্রথমে মতলব উত্তর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন মো. নজরুল ইসলাম ওরফে নজু (৫৭) ও মো. আল আমিন ওরফে রিফাত (৩০)।​ পরবর্তী সময়ে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার ও বুড়িচং এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূল হোতাসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় হেদায়েত উল্লাহ ওরফে মনির হোসেন (৪৫) (মূল হোতা) ও রাব্বি হোসেন ওরফে জাবেদ (২৪) ​​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেছে। 

পুলিশ জানায়, এই চক্রটি মূলত গ্রামের সহজ-সরল মানুষ এবং বিশেষ করে নারীদের টার্গেট করত। বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা বা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের এনআইডি কার্ড দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতো। এরপর সেই অ্যাকাউন্টের চেক বই, ডেবিট/ভিসা কার্ড এবং নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরটি প্রতারক চক্রটি নিজেদের দখলে রাখত। ​পরবর্তী সময়ে তারা টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলতো এবং ওই সব বেনামী অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে বাধ্য করত।

​উদ্ধার করা মালামাল ও আইনি ব্যবস্থা ​মূল হোতা হেদায়েত উল্লাহ মনিরের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা ​৬টি ব্যাংক চেক বই ​১৯টি ডেবিট ও ভিসা কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। ​তদন্তে ওই অ্যাকাউন্টগুলোতে অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে মতলব উত্তর থানায় প্রচলিত আইনে মামলা হয়েছে।

যে কারণে পাকিস্তানকে শাস্তিতে দিতে পারবে না আইসিসি
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১০ টাকার নতুন নোট বাজারে আসছে আজ
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী গ্রেপ…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিশ্বকাপ শুরুর আগ মুহূর্তে স্কোয়াডে বড় পরিবর্তন আনল শ্রীলঙ্…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চায়ের আড্ডা: তরুণদের কণ্ঠ, নতুন রাজনীতি এবং বাংলাদেশের ভবি…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬