ভিক্ষুককে টাকা দিতে হাসপাতালে ঢুকেছিলেন গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন?

১০ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:০১ PM
ফিল্মি স্টাইলে দুই দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলি, ইনসেটে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ তারিক সাইফ মামুন

ফিল্মি স্টাইলে দুই দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলি, ইনসেটে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ তারিক সাইফ মামুন © সংগৃহীত

২৮ বছর আগের এক মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে রাজধানীর আদালত পাড়ার কাছে দিনে দুপুরে গুলিতে নিহত হয়েছেন এক সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুন। পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ২৫ বছরের যুবক জাহিদ আমিন ওরফে হিমেলকে ১৯৯৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে মোহাম্মদপুর পিসি কালচার হাউজিং এলাকায়
গুলি করে হত্যা করা হয়। সেদিন হিমেলের বন্ধু সাইদও আহত হন। এ ঘটনায় হিমেলের মা জাফরুন নাহার সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তারিক সাইফ মামুনসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- ওসমান, মাসুদ ওরফে নাজমুল হোসেন, রতন, ইমন এবং হেলাল।

আজ ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমিনুন নেসার আদালতে মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজিরা দেন তারিক সাইফ মামুন। তবে কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। এজন্য আদালত আগামী বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। এর পর আদালত থেকে বের হন মামুন। যান ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ১০টা ৫১ মিনিটের দিকে হাসপাতাল থেকে তিনি বের হচ্ছিলেন। প্রধান ফটক পার হয়ে একটু সামনে রাস্তায় গেলে দৌঁড় দিয়ে আবার হাসপাতালে ঢুকে পড়েন। তখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা লোকজনকেও ছোটাছুটি করতে দেখা যায়।

হাসপাতালের নিরাপত্তার কাজে দায়িত্বে থাকা মো. তারেক জানান, দুইজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। তবে সেই গুলি গিয়ে লাগে হাসপাতালের জানালার গ্লাসে। তারা আরও পাঁচ রাউন্ড গুলি করেন। তিনটি গিয়ে মামুনের শরীরে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। তবে অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। শুনেছি তিনি মারা গেছেন।

তিনি জানান, শুনেছি যে লোক গুলিবিদ্ধ হয়েছে তার কাছে একজন ভিক্ষুক খাবারের জন্য টাকা ভিক্ষা চেয়েছিলেন। সেই টাকা দিতে নাকি তিনি হাসপাতালে এসেছিলেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি গাড়ি পার্কিং করতে এসেছিলেন।

যোগাযোগ করা হলে মামুনের আইনজীবী মেহেদী হাসান জানান, তিনি আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। মামলাটি ১৯৯৭ সালের। সাক্ষীরা আসে না। আদালতকে মামলাটি শেষ করার জন্য বলি। পরে আবার সাক্ষীর জন্য তারিখ ধার্য করা হয়। মামুন কেন হাসপাতালে গিয়েছিলেন জানতে চাইলে বলেন, এটা তো বলতে পারব না। আমার অন্য মামলা থাকায় আমি চলে গিয়েছিলাম। তিনিও আদালত থেকে বের হয়ে যান।

ঘটনার পর তারিক সাঈদ মামুনের খালাতো ভাই হাফিজ সাংবাদিকদের জানান, আমার ভাই একজন সাধারণ মানুষ। কি কারণে তাকে কে হত্যা করল আমি জানি না। সে কোন রাজনীতির সাথে জড়িত না। কারা তাকে হত্যা করেছে, কী কারণে করেছে আমার জানা নেই।

চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় ২০ বছরের বেশি সময় জেল খেটে ২০২৩ সালে জামিনে মুক্তি পান মামুন। তিন মাসের মাথায় তেজগাঁও বিজি প্রেস এলাকায় তাকে হত্যার চেষ্টা হয়। সে সময় রাস্তার ওপর মামুনের গাড়ি আটকে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হলে ভুবন চন্দ্র শীল নামে এক আইনজীবী গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হামলার লক্ষ্যে থাকা মামুনকে খুন করতে না পারলেও সে সময় চাপাতি দিয়ে কোপায় হামলাকারীরা।
মামুন সে সময় পুলিশকে বলেছিলেন, তেজগাঁওয়ের ওই হামলার পেছনে পুলিশের আরেক তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সানজিদুল ইসলাম ইমনের হাত রয়েছে।

সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় গত বছরের ৯ মে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারিক সাইফ মামুনসহ ৬ জন খালাস পান। তবে ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজসহ ৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় একই ট্রাইব্যুনাল।

উত্তরায় আগুনে নিহতের ঘটনায় জামায়াতে আমিরের শোক
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন শুরু
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
রাষ্ট্রীয়ভাবে নবাব সলিমুল্লাহর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালনের…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধির …
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
টঙ্গীতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9