হাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের আন্দোলন

ইউজিসি'র হস্তক্ষেপে ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরছে আন্দোলনরত শিক্ষকরা

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৩:২৯ PM
উপাচার্য স্বাক্ষরিত লিখিত একটি ঘোষণাপত্র হাতে পাওয়ার পর ক্লাসে ফেরার কথা জানিয়েছেন হাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষকরা

উপাচার্য স্বাক্ষরিত লিখিত একটি ঘোষণাপত্র হাতে পাওয়ার পর ক্লাসে ফেরার কথা জানিয়েছেন হাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষকরা © টিডিসি ফটো

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) আন্দোলনরত শিক্ষকরা ক্লাস-পরীক্ষায় ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় এ সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আন্দোলরত শিক্ষকরা জানিয়েছেন। গতরাতে উপাচার্য স্বাক্ষরিত লিখিত একটি ঘোষণাপত্র হাতে পাওয়ার পর আজ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তািরা।

গত রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রতিনিধিদল আন্দোলনকারী শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে দফায় দফায় আলোচনা করেন। প্রথমে প্রশাসনিক ভবনে, পরে অডিটরিয়াম-২ এ আলোচনায় বসেন তারা। বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আলোচনায় কোন সমাধান না আসায় পরে অডিটরিয়াম-২ এ আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ইউজিসি প্রতিনিধিদল ও আন্দোলনকারী  সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত শিক্ষক এবং প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম।

এসময় অডিটরিয়ামের বাইরে অবস্থান গ্রহণ করে ক্লাস-পরীক্ষার দাবিতে আন্দোলনকারী বিজ্ঞান এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীরা। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে আলোচনা চলাকালীন সময়েও তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। তবে কোন সিন্ধান্ত না জানিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-২ এর আলোচনা থেকে সংশ্লিষ্টরা বের হতে চাইলে তাদেরকে তালাবদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে রাত সাড়ে ১২টায় উপাচার্য স্বাক্ষরিত লিখিত একটি ঘোষণাপত্র হাতে পাওয়ার পর অডিটোরিয়াম-২ এর তালা খুলে দেওয়া হয়।

লিখিত ঐ ঘোষণাপত্রে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে, রেজিস্টার ড. সফিউল আলমের ৩১ মার্চের মধ্যে চুক্তি বাতিল করা হবে, বহিস্কৃত দুইজন শিক্ষকের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করা, তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৪ নভেম্বর ২০১৮ এবং ২৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখের ঘটনাসমূহের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ, বেতন বৈষম্য সমাধানের জন্য ভিসি কর্তৃক ঘোষিত সর্বশেষ রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আন্দোলনরত ৫৭ জন সহকারী অধ্যাপকের পে-স্কেল বাস্তবায়ন, প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের তিন জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন জন শিক্ষক (৬ সদস্য বিশিষ্ট) সর্বজন গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিটি গঠন করা।

এ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অফিস আদেশ জারির করার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের অন্যান্য দাবি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়া জন্য বলা হয়েছে। 

হজে বিমানভাড়া কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা কমবে: বিমান প্রতিমন্ত্রী
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপে পড়ুন সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে, অধ্যয়ন…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নববর্ষে ঢাবির হলে ছাত্রদল নেতার ‘মুরালি-বাতাসা’ বিতরণ
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
দক্ষিণ আইচা কলেজে নতুন গভর্নিং বডি গঠন
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
এদিক-ওদিক তাকালে ও কথা বললে ১ বছর বহিষ্কার, ২০ অপরাধের কোন…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদপুরে ৫ কেজি গাঁজাসহ ২ পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬