২২ মামলার আসামি সাবেক যুবলীগ নেতা খুন

০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:৫৬ PM , আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫৯ PM
জহিরুল ইসলাম ওরফে হাতকাটা মামুন

জহিরুল ইসলাম ওরফে হাতকাটা মামুন © সংগৃহীত

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ২২ মামলার আসামি সাবেক যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ওরফে হাতকাটা মামুনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (০৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই ইউনিয়নের ইছাপুর থেকে নিজ বাড়ি ভাতশালা গ্রামে যাওয়ার পথে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। জহিরুল ইসলাম ওরফে হাতকাটা মামুন (৫০) এই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দুবারের সদস্য (মেম্বার) এবং ভাতশালা গ্রামের মালেক হাওলাদারের ছেলে। ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। পরে বিভিন্ন অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা এবং বাকেরগঞ্জ থানায় হত্যা, গুম, নারী নির্যাতন এবং অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ২২টি মামলা রয়েছে।

ইউপির চৌকিদার আবদুর রহিম প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে জানান, হেঁটে জহিরুল বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাঁর ওপর হামলা করে। তিনি দৌড়ে সড়কের পাশে বাগানের মধ্যে ঢুকে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয় তাঁকে। রহিম আরও জানান, সব কটি কোপ তাঁর মাথায় লাগে। এতে মগজ বের হয়ে যায়। হামলকারীরা গুলি করলেও তা জহিরুলের গায়ে লাগেনি বলে জানান রহিম।

বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাকসুদুর রহমান জানান, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়েছেন ইউপি সদস্য জহিরুল খুন হয়েছেন। এলাকাটি দুর্গম এবং উপজেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় সেখানে পৌঁছাতে সময় লাগছে। পুলিশ সদস্যদের নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।

পুলিশে সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৯ মার্চ রাতে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের সোনাপুরা গ্রামে পূর্বশক্রতার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে বেধড়ক কুপিয়ে জখম করা হয় রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মোল্লা এবং তাঁর দুই ভাই শহিদুল ইসলাম ওরফে সোহেল (২৫) ও তৌহিদুল ইসলাম ওরফে তৌকিরকে (২২)। এরপর এই তিনজন গুরুতর আহত অবস্থায় স্পিডবোটে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত সাড়ে তিনটার দিকে রবিউল মারা যান।

রবিউল মারা যাওয়ার পর তাঁর বাবা মো. ইয়াছিন মোল্লা গত বছরের ২১ এপ্রিল বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছিল জহিরুলকে। পরে ওই বছরের ৩০ এপ্রিল র‌্যাবের-৮ সদস্যরা জহিরুলকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছিলেন।

এর আগে ২০১৬ সালের ১১ জুন সন্ধ্যায় বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নে মহিউদ্দিন হাওলাদার নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই মামলারও প্রধান আসামি ছিলেন জহিরুল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে আহত করেছিল মামুন। পরে ওই বিএনপি নেতা কুপিয়ে মামুনের বাঁ হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এ ঘটনার পর ওই বিএনপি নেতা পরিবারসহ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। এরপর থেকে জহিরুলকে হাতকাটা মামুন বলে ডাকে এলাকাবাসী।

যবিপ্রবি জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদে প্রথমবার চালু হচ্ছে …
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে আটকে গেল আইইউটির ভিসি নিয়…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
একটি দল ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে নারী ভোটারদের বিভ্রান্তির কর…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
​২২ বছর পর রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউটে যেতে আজ কার কী সমীকরণ
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
মায়েদের জন্য বাস সার্ভিস, ডে কেয়ার ও বেবি কেয়ার চালু করা হব…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
diuimage