আহত মজিবর রহমান © টিডিসি ফটো
পটুয়াখালীর দুমকীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়ায় বাকবিতন্ডার জেরে এন্টিকাটার ব্লেড দিয়ে বাবার গলা কেটে হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে এক মেয়ে।
শনিবার(১২ আগষ্ট) রাত ১০টার দিকে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের লূথারান হাসপাতাল এলাকায় মজিবর রহমান টিটু'র নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মেয়ে কর্তৃক বাবাকে এ হত্যাচেষ্টায় এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মজিবর রহমান টিটুর মেয়ে ইউশা বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিকেও কোথাও ভর্তির সুযোগ পাননি। মজিবর রহমান টিটু রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে মেয়ের ফলাফল নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে বাবা-মেয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মেয়ে ইউশা'র হাতে থাকা এন্টি কাটার ব্লেড দিয়ে বাবার গলায় আঘাত করেন।
কিন্তু এলাকাবাসীদের অপর অংশ জানায়, মূলত, আসল ঘটনা আড়াল করতে মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়ায় বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে। ফোরসাইট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক মজিবুর রহমান টিটু'র সাথে একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক নারী কর্মচারীর অবৈধ সম্পর্ক থাকার জেরে মা ও মেয়ের মাঝে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে মেয়ে ইউশা তার হাতে থাকা এন্টি কাটার ব্লেড নিয়ে বাবার গলায় আঘাত করে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় মজিবুর রহমান টিটু'কে উদ্ধার করে দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
এ বিষয়ে দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সিরাজুল ইসলাম সুজন বলেন, মজিবুর রহমানের গলার ডানপাশে মারাত্মক এন্টি কাটার ব্লেডের আঘাত রয়েছে। তাঁর গলায় ১০টি সেলাই করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মজিবুর রহমান ও অভিযুক্ত মেয়ে ইউশা রহমানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে দুমকী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমি রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবো।