আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে ভিপি সাদিক কায়েমসহ ডাকসু নেতারা © টিডিসি ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে কারওয়ান বাজার এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় চাকা ফেটে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক্ষণিকা’ বাসটি এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় বাসটির হারানোর ফলে এই দুর্ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
জানা গেছে, আহতদের মধ্যে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত তিনজন শমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এছাড়া হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে দুইজন, ইনসাফ বারাকা হাসপাতালে দুইজন, ঢাকা মেডিকেলে একজন, বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে দুইজন এবং ইবনে সিনা হাসপাতালে একজনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে দুর্ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়ী করে সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসুর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ডিপো ডিসেন্ট্রালাইজ করে ফিটনেসবিহীন বাসগুলো পরিবর্তনের জন্য প্রশাসনের কাছে বারবার দাবি জানানো হয়েছে। ‘কিন্তু দুঃখজনকভাবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে চরম উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। আজকের এই দুর্ঘটনার জন্য প্রশাসনের সেই উদাসীনতাই দায়ী,’ বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: জায়গা দিলে তার নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করে দেব: শিক্ষামন্ত্রী
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে উপাচার্য, প্রোভিসি ও কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আবারও তাদের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডাকসুর পক্ষ থেকে স্পষ্ট দাবি জানানো হয়েছে—সকল ফিটনেসবিহীন বাস এবং বাস ডিপো অবিলম্বে পরিবর্তন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
ডাকসু ভিপি জানান, প্রতিটি হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষার্থী ও কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং আহতদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণে ডাকসুর সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
শেষে আহত সকল শিক্ষার্থীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সাদিক কায়েম বলেন, মহান আল্লাহ সবাইকে সুস্থতা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করে রাখুন।