প্রধান নির্বাচক ও ইনসাইডে সাকিব আল হাসান © টিডিসি ফটো
প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে পাকিস্তান সিরিজের পর আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজেও সাবেক এই অধিনায়কের ফেরা হচ্ছে না বলেই সে সময় নিশ্চিত করেছিলেন ইফতেখার রহমান মিঠু। তিনি স্পষ্ট করেছিলেন, সাকিবের দলে ফেরাটা পুরোপুরি তার বিরুদ্ধে চলমান মামলার অগ্রগতি ও আইনি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। এতে ধারণা করা হচ্ছিল, সাকিবের ফেরা নিয়ে ‘যদি-কিন্তু’র সমীকরণ চলছে।
এরই মাঝে পাল্টে যায় দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থাটির ম্যাজিক্যাল চেয়ার। বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বুলবুলের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। একইদিন অর্থাৎ গত ৭ এপ্রিল সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সভাপতি করে নতুন ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক সংস্থাটি। পরে সেদিনই দায়িত্ব বুঝে নেয় এডহক কমিটি। এতে স্বাভাবিকভাবেই আবারও ঝুলচ্ছে সাকিবের প্রত্যাবর্তন।
এদিকে সাদা বলের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে চলতি সপ্তাহেই ঢাকায় আসছে নিউজিল্যান্ড। এই সফরে বাংলাদেশের বিপক্ষে সমান তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে কিউইরা। শনিবার (১১ এপ্রিল) সফরকারীদের বিপক্ষে দুটি ওয়ানডে ম্যাচের স্কোয়াড ঘোষণা করেন হাবিবুল বাশার সুমনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেল। সেখানেও উঠে সাকিবের প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গ। তবে বাশারও দেশের ক্রিকেটের এই পোস্টারবয়কে লম্বা সময়ের জন্য পেতে আশাবাদী বলে জানান।
বাশারের ভাষ্যমতে, ‘আমার সঙ্গে সাকিবের একবার কথা হয়েছে। জিজ্ঞেস করেছিলাম প্রস্তুত আছে কি না, যেহেতু ও যেখানে আছে সেখানে নিয়মিত ক্রিকেট হয় না বা ট্রেনিংয়ের সুযোগ নেই। ফিটনেস নিয়ে কাজ হতে পারে, তবে সেখানে ক্রিকেট নিয়মিত হয় না। যদিও সে ক্রিকেট খেলছে। সব যদি ঠিকঠাক থাকে সাকিবকে লম্বা সময়ের জন্যই চাই। এটাই আলাপ হয়েছে যে সে কতখানি প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক কিছু লাগে, এরমধ্যে প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
নিউজিল্যান্ড সিরিজের দল নিয়ে বাশার বলেন, ‘আমাদের লাস্ট পাকিস্তানের সঙ্গে সফল সিরিজ ছিল। বাংলাদেশ ভাল ক্রিকেট খেলেছে এবং সেখানে কিছু খেলোয়াড় একাদশে সুযোগ পায়নি এবং কিছু প্লেয়ার নতুন এসেছে গত সিরিজে। আমাদের কাছে মনে হয়েছে আমরা পলিসি সেট করেছি যে, যখন কেউ আসবে তাকে যেন আমরা পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে পারি। কাউকে সুযোগ না দিয়ে দল থেকে বাদ দেওয়ার পক্ষে আমরা নই।’