আব্দুল গাফফার সাকলাইন © সংগৃহীত
এনসিএল টি–টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে আলোচনায় উঠে আসেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। এরপর সর্বশেষ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল) নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই বোলিং অলরাউন্ডার। পারফরম্যান্সের সেই ধারা ধরে রাখেন অদম্য টি–টোয়েন্টি কাপেও।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুরন্ত একাদশের হয়ে খেলতে নেমে বল হাতে দারুণ কার্যকর ছিলেন সাকলাইন। ২৩ রান খরচায় তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ ৩ উইকেট। ব্যাট হাতেও দলের প্রয়োজনে অবদান রাখেন তিনি। নিচের দিকে নেমে মাত্র ৯ বলে করেন ১৮ রান।
ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন সাকলাইন। অলরাউন্ডার হিসেবে তার এই ধারাবাহিকতা নজর কাড়ছে নির্বাচকদেরও। জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে প্রতিটি ম্যাচেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাওয়াই এখন তার মূল পরিকল্পনা।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন জানিয়ে সাকলাইন বলেন, ‘আসলে প্রতিটা প্লেয়ারেরই ইচ্ছা থাকে নিজ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা। সবার আগে আল্লাহকে ধন্যবাদ। যতটুকু করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। নিজের শক্তির জায়গায় থাকার চেষ্টা করি। ভালোর তো শেষ নেই। আমিও চেষ্টা করছি দিন দিন উন্নতি করার। যতটুকু পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ, ইনশাআল্লাহ সামনে আরও চেষ্টা করব।’
ব্যাটিং-বোলিংয়ে নিজেকে আস্থার জায়গায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশায় সাকলাইন। তার ভাষ্যমতে, ‘আমি সবসময় নিজের শক্তিতে বিশ্বাস রাখি। রিজিকের মালিক আল্লাহ। ভালো খেলা খারাপ খেলা আল্লাহর হাতে, আমি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব। যখন এইচপি দলে ডাক পাই, বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিং নিয়েও কাজ করেছি। সেখানে কোচ ছিলেন রাজিন (সালেহ) স্যার, ডেভিড হেম্প। তারা আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়েছেন। দিন দিন ভালো হচ্ছে, সামনে আরও হবে আশা করি।’
এদিকে চলমান এই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর মাঝে লম্বা সময়ের বিরতি পাচ্ছেন সাকলাইন। সেই সময়ের পরিকল্পনায় তিনি বলেন, ‘সামনে আমাদের বিসিএল ওয়ানডে ফরম্যাটে হবে। সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করব। ট্রেনিং ফিটনেস মিলিয়ে প্রসেসের মধ্যে থাকব ইনশাআল্লাহ। আমি ২ বছর আগে প্রথম বিভাগ থেকে জাতীয় লিগে খেলার পর ট্রেইনার রাখি, এইচপিতে যাওয়ার পর তুষার (ইমরান) স্যার আছে। উনি প্ল্যান দিয়েছেন সেভাবে চলছে। ইফতি (ইফতিখার ইসলাম) ভাই ছিলেন সর্বশেষ বিপিএলে, উনিও আমাকে প্ল্যান দিয়েছেন। সেই প্রসেসই ধরে রাখছি।’