ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ: আজকের আপডেট

০১ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৬ AM
সাবিনা আহমেদ

সাবিনা আহমেদ © টিডিসি ফটো

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। হরমুজ প্রণালী অনফিশিয়ালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, একই সঙ্গে একাধিক দেশে মিসাইল ও ড্রোন হামলার দাবিতে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সামরিক তৎপরতা বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়ায় এর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব নিয়েও বাড়ছে উদ্বেগ। ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আপডেট দিয়েছেন পররাষ্ট্রনীতি ও ইতিহাস বিশেষজ্ঞ সাবিনা আহমেদ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানে হামলা ও আঞ্চলিক সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন।

১) হরমুজ প্রণালী অনফিশিয়ালি বন্ধ। তেলের দাম এবার হু হু করে বাড়বে যদি এই প্রণালী শীঘ্রই চালু না হয়। বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর প্রভাব পড়বে। আমরাও ফকির হলাম, দেশে অকাল পড়ল অবস্থা।
২) দোহা, কাতার, বাহরাইনে ইরানিয়ান মিসাইল হিট করেছে।
৩) ইরান তার বিখ্যাত সেজিল মিসাইল লঞ্চ করেছে। গন্তব্য এখন পর্যন্ত ভেরিফাই করতে পারিনি।
সেজিল মিসাইল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টু-স্টেট সলিড প্রোপেল্যান্ট মিডিয়াম-রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল। এটি ৭০০ থেকে ৭৫০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে, যা হাই-এক্সপ্লোসিভ, ক্লাস্টার বা সম্ভাব্য নিউক্লিয়ার হতে পারে। 'আমার মতে ইরানের নিউক্লিয়ার ওয়ার হেড নাই।'
এটা গাইডেড মিসাইল। রেঞ্জ ২০০০ কিলোমিটার, তার মানে এটা ইসরায়েল অভিমুখেই যাচ্ছে। টু-স্টেট ডিজাইনে প্রথম স্টেজ পুড়ে শেষ হলে আলাদা হয়ে যায় এবং দ্বিতীয় স্টেজ ইগনিশন করে, ফলে রেঞ্জ ও গতি বাড়ে। এটি ফ্লাইটের বিভিন্ন স্তরে ম্যানিউভার করতে পারে, যার কারণে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে আটকানো খুব কঠিন হয়।
সলিড ফুয়েলের বা প্রোপেলেন্ট এর সুবিধা হলো লিকুইড -ফুয়েলের মিসাইলের মতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফুয়েলিং করতে হয় না, ফলে লঞ্চ প্রস্তুতি মাত্র কয়েক মিনিটের। এছাড়া ফুয়েলড অবস্থায় দীর্ঘদিন স্টোর করা যায় এবং সহজে লুকিয়ে রাখা যায়, যা শত্রুর স্যাটেলাইট বা ড্রোনের চোখে ধরা পড়ার সম্ভাবনা অনেক কমিয়ে দেয়।
৪) কুয়েত আর বাহরাইনে ইরানিয়ান আক্রমণগুলো তাদের শাহেদ কমিকাজী ড্রোন দিয়ে। আর তাতেই ড্রোন গুলো সেইসব দেশের আমেরিকান বেইসগুলোতে জায়গামত টার্গেট হিট করছে।
৫) ফার্স নিউজের তথ্য অনুসারে, আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলায় দক্ষিণ ইরানের মিনাবে অবস্থিত শাজারেহ তায়্যেবেহ গার্লস এলিমেন্টারি স্কুলে আঘাত হানায় অন্তত ৭০ জন লোক নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৬০ জন শিশু।
৬) NATO-এর AWACS বিমানগুলো তুরস্কের কোন্যা ঘাঁটি থেকে ইরানের উপর নজরদারি বাড়িয়েছে, এবং এগুলো রাশিয়া থেকে ইরানে তাদের ফোকাস স্থানান্তরিত হয়েছে। তুরস্ক এই অপারেশনগুলোকে অনুমতি দিচ্ছে। তবে, তুরস্ক সরকারিভাবে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকান সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করছে এবং মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে।
৭) ইরানের রেড ক্রিসেন্ট ইরানের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব মতে: এখন পর্যন্ত আমেরিকান-ইসরায়েল আক্রমণে:
আক্রমণ হয়েছে ইরানের ৩১ প্রভিন্সের মধ্যে ২৪ টায়। আহত হয়েছে ৭৪৭ জন ইরানি। নিহত হয়েছে ২০১ জন ইরানি।



সদরঘাটে শ্রমিকদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষে যুবক নিহত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
খুকৃবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
‘এমবিবিএস’ পরিচয়ে চিকিৎসা, ভুয়া চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরি…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধা জানিয়ে অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতাকে ‎‘জোর করে…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
এনইউবি ফার্মা ডিবেট ক্লাবের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত 
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
জামায়াত-শিবির বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা …
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬