আইসিসি ট্রফি ও বিসিবি লোগো © সংগৃহীত
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে উত্তাপ তৈরি হয়েছিল, তা এখন বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রূপ নিয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে মাঠে গড়াতে যাওয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলবে কি না, খেললেও কোন দেশে খেলবে, তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা ও জল্পনা।
তবে এই অনিশ্চয়তার পর্দা আগামী ২১ জানুয়ারি মধ্যেই নামতে পারে। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত শনিবারের বৈঠকে আইসিসির প্রতিনিধিরা বিসিবিকে এ সময়সীমার কথা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।
বিশ্বকাপ ইস্যুতে আলোচনার জন্য গত শনিবার ঢাকায় আসেন আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জিএম অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ। একই সময়ে ভার্চুয়ালি বৈঠকে অংশ নেন আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার (ইভেন্টস অ্যান্ড কর্পোরেট কমিউনিকেশনস) গৌরব সাক্সেনা।
বৈঠকে বিসিবি আবারও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে রাজি নয় বাংলাদেশ। এ পরিস্থিতিতে লজিস্টিক জটিলতা কমানোর লক্ষ্যে গ্রুপ পুনর্বিন্যাসের বিষয়েও আলোচনা হয় আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে।
তবে ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি আইসিসি। ফলে আয়ারল্যান্ড ও বাংলাদেশের গ্রুপ বদলের সম্ভাবনা প্রায় বাতিল হয়ে গেছে।
অন্যদিকে আইসিসি তাদের অবস্থানেই অনড়, ভারতের ভেন্যুগুলোতে বাংলাদেশের জন্য কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে তারা বারবারই দাবি করেছে। এখন বাংলাদেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সংস্থাটি।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে ক্রিকইনফো আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশ যদি শেষ পর্যন্ত ভারতে গিয়ে খেলতে না চায়, তবে বিশ্বকাপে তাদের জায়গায় অন্য কোনো দলকে অন্তর্ভুক্ত করার পথও খোলা আইসিসির সামনে। র্যাঙ্কিং বিচারে সেই দলটি হতে পারে স্কটল্যান্ড।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হবে নাকি ভারতেই খেলতে হবে, অথবা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়েই কোনো বড় সিদ্ধান্ত আসবে কি না, সেসব কিছুর নিষ্পত্তি হবে আগামী বুধবারের মধ্যেই।