বিসিবি ও বিপিএল © সংগৃহীত
বিপিএলে স্থগিত হওয়া ম্যাচের টিকেট নিয়ে দর্শকদের জন্য সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সঙ্গে বিসিবির সফল বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, আজ শুক্রবার থেকেই মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএলের ঢাকা পর্ব। যারা গতকালের (১৫ জানুয়ারি) ম্যাচগুলোর টিকিট কেটে খেলা দেখতে পারেননি, তারা যেমন অর্থ ফেরত পাবেন, তেমনি আজকের (১৬ জানুয়ারি) ম্যাচের টিকিটধারীরাও সেই একই টিকিটে মাঠে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।
এক বিবৃতিতে বিসিবি জানিয়েছে, যারা ১৫ জানুয়ারি বিপিএলের নির্ধারিত ম্যাচের টিকিট কেটেছিলেন, তারা নিয়মানুযায়ী অর্থ ফেরত পাবেন। দর্শকরা বিসিবির যে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করেছেন, সেখান থেকেই এই অর্থ ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য বিসিবির ওয়েবসাইট অথবা +৮৮০ ৯৬০৬-৫০১২৩১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, যারা ১৬ জানুয়ারির দুটি ম্যাচের টিকিট সংগ্রহ করেছেন, তারা সেই টিকিটেই আজ মাঠে ঢুকতে পারবেন। যদিও আজ নির্ধারিত ম্যাচের পরিবর্তে গতকালের স্থগিত হওয়া দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম রয়ালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস এবং সন্ধ্যা ৭টায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটান্স একে অপরের মুখোমুখি হবে।
বিপিএলের সূচিতেও আনা হয়েছে বড় পরিবর্তন। আজ ও আগামীকালের (শনিবার) ম্যাচগুলো একদিন করে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত সূচিতে থাকা ১৬ জানুয়ারির দুই ম্যাচ ১৭ জানুয়ারি এবং ১৭ জানুয়ারির দুই ম্যাচ ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমেই শেষ হবে লিগ পর্ব। লিগ পর্বের পর একদিনের বিরতি রেখে ১৯ জানুয়ারির দুটি প্লে-অফ ম্যাচ ২০ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২১ জানুয়ারিতে নির্ধারিত দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার এবং ২৩ জানুয়ারির ফাইনাল ম্যাচের সূচি অপরিবর্তিত থাকছে।
উল্লেখ্য, গতকাল ক্রিকেটাররা দাবি আদায়ে অনড় থেকে খেলা বয়কটের ঘোষণা দিলেও বিসিবি বা আয়োজকদের পক্ষ থেকে খেলা নিয়ে কোনো স্পষ্ট বার্তা ছিল না। ফলে অনেক সমর্থক স্টেডিয়ামে ভিড় করেন এবং কেউ কেউ গ্যালারিতেও প্রবেশ করেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর খেলা না হওয়ায় সমর্থকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এক পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতে হয়েছিল। বিসিবির নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে দর্শকদের সেই উৎকণ্ঠা ও আর্থিক ক্ষতির অবসান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।