তাওহীদ হৃদয় ও খুশদিল শাহ © সংগৃহীত
ইনিংসের শেষ বলে একটি বাউন্ডারি হলেই সেঞ্চুরির স্বাদ পেতেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু জিমি নিশামের করা শেষ বলটি ডট হয়ে যাওয়ায় মাত্র তিন রানের জন্য শতক মিস করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। এতে খানিকটা রেগেও গিয়েছিলেন এই ব্যাটার। তবে ব্যক্তিগত মাইলফলক ছোঁয়া না হলেও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক ইনিংসই উপহার দেন হৃদয়। তার ব্যাটিংয়ে ভর করেই চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় রংপুর রাইডার্স।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান তোলে রংপুর। ৬ ছক্কা ও ৮ চারে ৫৬ বলে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৭ রান করেন হৃদয়।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রংপুর রাইডার্সকে ভালো সূচনা এনে দেন তাওহীদ হৃদয়। কাইল মেয়ার্সের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেন তিনি। মেয়ার্স ৬ বলে ৮ রান করে ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস টানতে থাকেন হৃদয়।
পরে লিটন দাস ও ইফতিখার আহমেদও বড় ইনিংস খেলতে না পারায় কিছুটা চাপে পড়ে যায় রংপুর। লিটন ১৪ বলে ১১ এবং ইফতিখার ১৫ বলে ৮ রান করে আউট হলে রানের গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে পড়ে।
এই অবস্থায় হৃদয়ের সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংসের ছন্দ ফেরান খুশদিল শাহ। দুজনের ব্যাটে আবারও দ্রুত রান তুলতে থাকে রংপুর। মাঝে সন্দীপ লামিচানে ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও শেষদিকে রাজশাহীর বোলাররা ছন্দ হারান। বিশেষ করে রিপন মণ্ডলের করা ১৯তম ওভারে আসে ২৮ রান, যা ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ইনিংসের শেষ ওভারে খুশদিল শাহ ২৯ বলে ৪৪ রান করে আউট হন, তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা। অন্যদিকে শেষ বলে কোনো রান নিতে না পারায় হৃদয়ের সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয়। ৫৬ বলে ৮ চার ও ৬ ছক্কায় ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষমেশ নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান তোলে রংপুর।
রাজশাহীর হয়ে একটি করে উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব, রিপন মণ্ডল, জিমি নিশাম ও সন্দীপ লামিচানে।