নাসির হোসেন © টিডিসি সম্পাদিত
জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক সাইফ হাসানের অনুপস্থিতিতে টপ-অর্ডারে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন নাসির হোসেন। সেই সুযোগ অবশ্য বেশ ভালোভাবেই লুফে নেন তিনি। নোয়াখালীর বোলারদের রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে সহজ জয় নিশ্চিত করেন এই অলরাউন্ডার।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রানের সম্মানজনক পুঁজি দাঁড় করায় নোয়াখালী। জবাবে মাত্র ১৪ দশমিক ১ ওভারে জয় নিশ্চিত হয় ঢাকার।
এই পরাজয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ হেরে বিপিএলে পঞ্চম দল হিসেবে ইতিহাস গড়ল নোয়াখালী। অন্যদিকে ঢাকার দ্বিতীয় জয় এটি। লক্ষ্য তাড়ায় ঢাকার দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তিন নম্বরে নেমে আক্রমণ শুরু করেন নাসির হোসেন। মাত্র ৯ বলে ১২ রান করে শুরু করা অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার পরের ৮ বলেই ৬ চার ও ১ ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন, চলতি আসরের দ্রুততম এটি।
এরপর ইরফান শুক্কুরের সঙ্গে ২৮ বলের ৫৯ রানের জুটি গড়েন। পরে ইমাদ ওয়াসিমকে সঙ্গে নিয়ে আরও ঝোড়ো ব্যাটিং চালিয়ে ৪০ বলে ৬১ রান যোগ করেন। শেষমেষ ১৬ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন ইমাদ, আর ৫০ বল খেলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় দলের জয় নিশ্চিত করেন নাসির।
এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় নোয়াখালী। দলীয় ১১ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য সরকার।
তিনে নেমে মাজ সাদাকাত অবশ্য কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে মুনিম শাহরিয়ার ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন পুরোপুরিই ব্যর্থ হন, ১৯ বলে ২৪ রান করে মাজ আউট হলে মাত্র ৪০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে নোয়াখালী। ৬ বলে ২ রান করে বিদায় নেন মুনিম আর ৯ বলে ৪ রান করেন অঙ্কন।
পরে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ নবি ও অধিনায়ক হায়দার। তাদের ব্যাটেই ১২০ পার করে নোয়াখালী। কিন্তু ৩৬ বলে ৪৭ রান করা হায়দার ইনিংসের শেষ ওভারে সাজঘরে ফেরেন। অন্যপ্রান্তে ৩৩ বলে ৪২ রান করে টিকে ছিলেন নবি। এতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান তুলে থামে নোয়াখালী।
ঢাকার হয়ে ইমাদ ওয়াসিম, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, জিয়াউর রহমান, নাসির হোসেন এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন একটি করে উইকেট নেন।