চিনিকলের বর্জ্যে দূষিত চন্দনা নদী

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৮ PM
চন্দনা নদীতে এসে পড়ছে চিনিকলের বর্জ্য

চন্দনা নদীতে এসে পড়ছে চিনিকলের বর্জ্য © টিডিসি

চিনিকলের বর্জ্যে চন্দনা নদের পানি কালচে ও দুর্গন্ধ হয়েছে। এই পানি দিয়ে সেচ ও অনান্য কাজ করতে পারছেন না এলাকাবাসী। চিনিকল কর্তৃপক্ষের দাবি, চিনিকলের বর্জ্য নদে ফেলা হয় না।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মধুখালী থেকে বামুন্দী বালিয়াকান্দী সড়কের চন্দনা নদীর ব্রিজের ওপর দারিয়ে দেখা যায় মধুখালী থানাগেট খাল দিয়ে পানি এসে পড়ছে নদীতে। এতে চন্দনা নদীর এক পাশের পানি পরিষ্কার ও অন্য পাশে চিনিকলের বর্জ্যে কালচেতে পরিণত হয়েছে। এক মাসে আগেও যেখানে নদের পানি স্বচ্ছ ছিল, এখন তা কালচে হয়েছে; দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, চিনিকলের ছাড়া পানিতে এমন খারাপ অবস্থা।

উপজেলার পশ্চিম গাড়াখোলা চন্দনা নদীর নিকটের বাসিন্দা মো. জিল্লাল হোসেন জানান, ফরিদপুর চিনিকলের বর্জ্যের পানিতে চন্দনা নদীর পানি কালচে ও দুর্গন্ধ হয়েছে। এই দূষিত পানিতে মাছসহ কোনো পোকামাকড় জলজ প্রাণী বাঁচা অসম্ভব।

চিনিকল কর্তৃপক্ষের দাবি, চিনিকলের বর্জ্য নদে ফেলা হয় না। চিনিকলেই সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফরিদপুর চিনিকলের থেকে মিলগেট খাল দিয়ে চিনিকলের কালো পানি নদীতে পরছে। এতে চন্দনা নদীর দক্ষিণদিকের পানির রং কালচে হয়েছে। চিনিকলের কাছে গিয়ে দেখা যায় বর্জ্য বের হওয়ার নালা বস্তা দিয়ে বন্ধ করা থাকলেও পানির চাপে তা কার্যকর হচ্ছে না।

মিলসগেট এলাকায় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিছুদিন আগেও চিনিকলের যান্ত্রিকত্রুটি ও শ্রমিকদের অসাবধনতার কারণে অনেক আখের রস নষ্ট হয়েছে। সেগুলো খাল ও নদীতে ফেলা হয়েছে। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

মধুখালী বাজারের বাসিন্দা ও সিনিয়র শিক্ষক বৈদ্যনাথ সরকার জানান, চিনিকলের বর্জ্য নদের পানিতে মিশে যাচ্ছে। নদীর পানিতে কোনো কাজ করা তো দূরের কথা দুর্গন্ধে কাছ দিয়ে হেঁটে যাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। পরিবেশ রয়েছে মারাত্বক হুমকিতে।

নদীকুলের বাসিন্দা রহিমা বেগম বলেন, নদীর পানি দিয়ে তিনি কাপড় ধোয়ার কাজ করতেন। সেখানে চিনিকলের বর্জ্য আসায় নদীর পানি কালো হয়েছে। দুর্গন্ধও বের হচ্ছে। এখন ওই পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। চিনিকলে মাড়াই বন্ধের এক থেকে দেড় মাস পর নদের পানি আবার স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক ফরহাদ বলেন, ‘এ রকম ঘটনা ঘটেনি। এ ব্যাপারে আমি আগেও দুজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেছি। আপনি দেরি করে ফেলেছেন। আমরা যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করে পানি আমাদের নিজস্ব স্থানে ফেলছি, দু-চার ফোঁটা পানি যেতে পারে তবে এখন পর্যন্ত কোনো মাছ মরেনি।’

কুয়াকাটায় জেলের জালে ধরা পড়ল বিরল ‘ব্রাউন সার্জনফিশ’
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা জামায়াতের
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে একনলা বন্দুকসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির মেধাতালিকা প্রকাশ ও …
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
সব ধরণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন প্রোটিয়া তারক…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
ইস্টার সানডে উপলক্ষে বন্ধ থাকবে ঢাবির ক্লাস, চলবে পরীক্ষা
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬