শাহবাগে আন্দোলনে বাড়ে বেচাকেনা, টাকা না দিয়ে চলে যান অনেকে

২২ মে ২০২৫, ১২:৩৩ PM , আপডেট: ২৩ মে ২০২৫, ০৫:৩৬ PM
শাহবাগ এলাকার কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ দোকালে চলছে বেচাকেনা

শাহবাগ এলাকার কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ দোকালে চলছে বেচাকেনা © টিডিসি ফটো

রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে একের পর এক আন্দোলন চলছেই। এতে ভোগান্তি বেড়েছে নগরবাসীর। অবশ্য এমন আন্দোলন চলাকালে বেচাকেনা বেড়ে যায় আশপাশের দোকানে। এতে তারা লাভবান হলেও টাকা না দিয়ে চলে যান অনেকে। ফলে ক্ষতির শিকার হন তারা।

শাহবাগ এলাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ দুটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভিড় করেন দেশের নানা প্রান্তের মানুষ। কিন্তু এ মোড় ঘিরে একের পর এক আন্দোলনের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম। 

‘স্বাভাবিক দিনে আমি ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ শিঙাড়া বিক্রি করি। তবে শাহবাগ মোড়ে আন্দোলন হলে আরও ১০০ থেকে ১৫০ বেশি বিক্রি হয়। ভাজা-পোড়ার অন্যান্য আইটেমেও বিক্রি কিছুটা বৃদ্ধি পায়।’ -মো. রাশেদ মাহমুদ, শিঙাড়া বিক্রেতা

হাসপাতালগুলোর আশেপাশে থাকা ভ্রাম্যমাণ দোকানিরা বলছেন, আন্দোলনের সময় বিক্রি বাড়লেও অনেকেই পয়সা না দিয়েই চলে যান। আবার বৃষ্টির কারণে কিছু দোকানি বিপদে পড়েছেন বেচাকেনা নিয়ে।

মো. রাশেদ মাহমুদ নামের একজন শিঙাড়া বিক্রেতার ভাষ্য, ‘স্বাভাবিক দিনে আমি ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ শিঙাড়া বিক্রি করি। তবে শাহবাগ মোড়ে আন্দোলন হলে আরও ১০০ থেকে ১৫০ বেশি বিক্রি হয়। ভাজা-পোড়ার অন্যান্য আইটেমেও বিক্রি কিছুটা বৃদ্ধি পায়।’

ভিন্ন কথা বলেছেন আনিছুর রহমান নামের একজন ডাব বিক্রেতা। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টিতে আন্দোলন হলে লাভ নেই। বিক্রি বাড়ে না। আমাদের প্রধান কাস্টমার হলো ব্লাড ডোনাররা। কিন্তু আন্দোলনের কারণে এখানে ডোনার আসেন না। আন্দোলনকারীরা যদি রোদে পুড়ে ক্লান্ত হতেন, তাহলে হয়তো কয়েকজন এসে স্বস্তির জন্য ডাবের পানি খেতেন।’

একই সুরে কথা বলেছেন সোহেল নামের একজন লেবুর শরবত বিক্রেতা। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে ব্যবসা বাড়লেই কি? এতে তো জনসাধারণের ক্ষতি। এই বেচাকেনা দিয়ে কী করব? এদিকে মানুষ ঠিকমতো চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না।’

আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে ভিজে শাহবাগ অবরোধ ছাত্রদলের, যান চলাচল বন্ধ

ফিরোজ আহমেদ নামের এক ভাজা-পোড়া বিক্রেতা বলেন, ‘আন্দোলনে সবার ক্ষতি। আমাদের বিক্রি বাড়লেও অনেকে টাকা না দিয়ে চলে যান। যদি টাকা না দিয়েই চলে যান, তাহলে বিক্রি বাড়ায় লাভ কী? তার চেয়ে স্বাভাবিক দিনের বেচাকেনায় ভালো। তখন মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত থাকে, স্বাভাবিক বেচাকেনাও হয়।’

রোমান নামের একজন শসা বিক্রেতা বলেন, ‘আন্দোলনে আমাদের কোনো লাভ নেই। উপরন্তু বৃষ্টিতেও ক্ষতি হয়। কারণ বৃষ্টির কারণে ক্রেতারা দোকানে ভিড় করেন না। আবার যারা দূর থেকে হাসপাতালে আসার কথা ছিল, তারাও আসেন না। ফলে আন্দোলনে আমাদেরও লাভ নেই, সাধারণ মানুষেরও নেই।’

রকি নামের একজন চা বিক্রেতা বলেন, ‘আমি আন্দোলনের দিকে তাকিয়ে থাকি না। এটা আমার ব্যবসার ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। আমার কাস্টমার সবাই হাসপাতালের।’

অনুমোদন পেল মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ১৫৮ কোটি টাকার একাডেমিক …
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
‘ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিহত পাঁচ শতাধিক’
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
১৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি মাদ্রাসাছাত্র ফারহানের
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লা পলিটেকনিক শিবিরের নেতৃত্বে রিফাত-আসিফ
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ডুয়েটে শহীদ ওসমান হাদির নামে প্রস্তাবিত গবেষণা ভবনের নামকরণ
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
কর্মজীবী মা ও সন্তানের আবেগঘন গল্পে নাটক ‘মা মনি’
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9