ভারতে গ্যাসের অভাবে বন্ধ হচ্ছে রেস্টুরেন্ট  

১০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৭ PM
ভারতীয় রেস্টুরেন্ট

ভারতীয় রেস্টুরেন্ট © সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আগ্রাসনের প্রভাবে রান্নার গ্যাসের সরবরাহ কমে এসেছে ভারতে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) খাবার পরিবেশনে সম্ভাব্য বিঘ্ন এবং এমনকি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছে দেশটির রেস্টুরেন্ট ও হোটেলগুলো। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিল্পখাতের অনুরোধগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে নয়াদিল্লী।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানির দাম এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে। ফলে কাতার ও সৌদি আরবের মতো উপসাগরীয় উৎপাদকদের রপ্তানি ও উৎপাদনও হুমকির মুখে পড়েছে।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিকারক ভারত গত সপ্তাহে জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে পরিশোধনাগারগুলোকে অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। 

ভারতে মেক্সিকান খাবারের চেইন ক্যালিফোর্নিয়া বুরিতোর প্রতিষ্ঠাতা বার্ট মুলার বলেন, ‘আমাদের কাছে মাত্র দুই দিনের এলপিজি মজুত আছে। আমরা বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি।’ ভারতের দক্ষিণের বেঙ্গালুরু ও চেন্নাই থেকে শুরু করে উত্তরের দিল্লি পর্যন্ত শতাধিক আউটলেট রয়েছে এই ব্র্যান্ডটির। তিনি বলেন, ‘আমরা গ্যাস সাশ্রয় করছি এবং কিছু আউটলেটে ইনডাকশন চুলা বসাচ্ছি।’

ভারতের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন শিল্পখাতে এলপিজি সরবরাহের অনুরোধগুলো পর্যালোচনা করতে একটি প্যানেল গঠন করা হয়েছে। দুটি শিল্প সংগঠনের আবেদন পাওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পাঁচ লাখের বেশি রেস্তোরাঁর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ন্যাশনাল রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (এনআরআই) সোমবার ভারতের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ মন্ত্রণালয়কে জানায়, ‘রেস্তোরাঁ শিল্প মূলত তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় বাণিজ্যিক এলপিজির ওপর নির্ভরশীল।’

চিঠিতে তারা সতর্ক করে বলে, ‘এই সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা বিপর্যয়করভাবে রেস্তোরাঁগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করবে।’ এ দিকে আরেক সংগঠন ফেডারেশন অব হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশনস অব ইন্ডিয়াও সরকারের সহায়তা চেয়েছে।

ভারতের কোম্পানিগুলো প্রায় এক বছর পর প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম বাড়িয়েছে। কারণ যুদ্ধের কারণে আমদানির দাম বেড়ে গেছে, যা ভারতের বার্ষিক এলপিজি ব্যবহারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ জোগান দেয়।

ভারতে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের সবচেয়ে বড় উৎস কাতার গত সপ্তাহে উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। কারণ ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের খেলা কবে, কখন
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
‘হাসিনাকে ফেরাতে তৎপরতা’র অভিযোগে কুবির ১১ শিক্ষককে ঘিরে ফ্…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
গ্যাস-সংকটে বাড়ছে বৈদ্যুতিক চুলার চাহিদা, কোনটি কিনবেন? দা…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাই বিপ্লব ছিল দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারবিরোধী ক্ষোভের বিস্ফোর…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
স্টেশনে নাতিকে কোলে নিয়ে বসে ছিলেন বৃদ্ধা, ‘শিশু চোর’ সন্দে…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬