ইরানে হামলা: ট্রাম্পের কণ্ঠে ‘ধ্বংস’ ও ‘নির্মূলের’ হুঁশিয়ারি

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৪ PM
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প © সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছু দাবি ও পূর্বাভাস দিয়েছেন (যার সপক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি), অন্যদিকে ইরানও ‘বিধ্বংসী’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার লক্ষ্য হলো “ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি নির্মূল করা।”

তিনি বলেন, “অল্প কিছুক্ষণ আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইরানি শাসনের হুমকি নির্মূল করে আমেরিকার জনগণকে রক্ষা করা।”

কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই ট্রাম্প আরও বেশ কিছু দাবি ও ভবিষ্যদ্বাণী করেন। এদিকে, ইরানও পাল্টা ‘বিধ্বংসী’ আঘাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ইসরায়েলের ওপর ‘প্রতিশোধ’ নিতে এবং ‘কঠোর জবাব’ দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের মূল পয়েন্টগুলো:

  • “আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করতে যাচ্ছি এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেব।”

  • “আমরা তাদের নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করে দেব। আমরা নিশ্চিত করব যেন এই অঞ্চলের ‘সন্ত্রাসী’ প্রক্সিগুলো (আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠী) আর এই অঞ্চল বা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করতে না পারে।”

  • “আমরা নিশ্চিত করব যেন ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে না পায়। বার্তাটি খুবই স্পষ্ট।”

  • “তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। এই শাসনব্যবস্থা শীঘ্রই বুঝতে পারবে যে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি ও সামর্থ্যকে চ্যালেঞ্জ করার সাধ্য কারো নেই।”

ইরানের অবস্থান ও গোয়েন্দা তথ্য: ইরান বারবার বলে আসছে যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কেবল বেসামরিক উদ্দেশ্যে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা বা জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা (IAEA)—কেউই ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। তবে ইসরায়েল এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু সদস্য এই দাবিটি জোরালোভাবে প্রচার করে আসছেন।

ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার বিশ্লেষণ: ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি অ্যালান ফিশার জানিয়েছেন, সূত্রগুলো তাকে বলেছে যে এই হামলার লক্ষ্য হলো “ইরানি শাসনের মাথা উপড়ে ফেলা (decapitating the regime)।”

তিনি আরও যোগ করেন, “তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হামলাগুলো এমন সব এলাকায় চালানো হয়েছে যেখানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি অবস্থান করতে পারেন বলে ধারণা করা হয়। অর্থাৎ, তাদের উদ্দেশ্য ছিল শাসনের প্রধানকে সরিয়ে দেওয়া এবং এরপর কী ঘটে তা দেখা।”

এপি (AP)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের রাজধানীর একটি লক্ষ্যবস্তু ছিল সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয়ের খুব কাছে। তবে রয়টার্সের উদ্ধৃতি দিয়ে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খামেনি বর্তমানে তেহরানে নেই এবং তাকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অ্যালান ফিশার আরও বলেন, “কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে এই হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিল এবং তারা জানতে চেয়েছিল যে হামলার পরবর্তী পরিকল্পনা কী। কারণ, কেবল সর্বোচ্চ নেতাকে সরিয়ে দিলেই যে একটি প্রো-ইউএস (যুক্তরাষ্ট্রপন্থী) সরকার গঠিত হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।”

সদরঘাট ট্র্যাজেডি: দুই দিন পর মিরাজের লাশ উদ্ধার
  • ২০ মার্চ ২০২৬
বিদেশে প্রথমবারের ঈদ, স্মৃতি আর চোখের জলে ভরা মুহূর্ত
  • ২০ মার্চ ২০২৬
কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ বছরে বিনামূল্যে ১০৭…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
'প্রত্যেকবার আমার জন্য বিপদে পড়তে হয়েছে এই মানুষটার'
  • ২০ মার্চ ২০২৬
শ্রমিকবান্ধব প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা: বেতন-বোনাসে স্বস্তির…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
দেশবাসীকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence