বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান © সংগৃহীত
দিল্লী বিমানবন্দরে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটকের পর ছাড়া পেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান। এক ভিডিও বার্তায় এমনটি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।
ভিডিও বার্তায় তিনি নিজেকে নিরাপদ আছেন বলে জানান। মাহদী জানান, প্রায় ৪০ মিনিট পুলিশ কাস্টোডিতে রাখার পর তাকে পুনরায় ইমিগ্রেশন দিয়ে ফ্লাইট ধরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে িএর পরেও নিজের সাথে কি হতে যাচ্ছে- এ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় মাহদী বলেন, আমার সাথে যেসব ঘটনা হয়েছে সেটা আমি বাংলাদেশে এসে প্রেস কনফারেন্স করে বলব। আমাকে প্রায় ৪০ মিনিটের মতো পুলিশ কাস্টোডিতে আটকে রাখা হয়েছিল। আমাকে খুবই বাজে এপ্রোচ করা হয়েছে। তারা আমাকে জেলে দিতে চেয়েছিল। আমি জানিনা, আমি কি করেছি।
তিনি বলেন, আমি তাদেরকে বলেছিলাম আমি কোনো অবৈধ কিছু করে থাকলে আমার দেশের সাথে যোগাযোগ করেন, এম্বাসির সাথে যোগোযোগ করেন। তারা কিছুই শুনে নাই। আমার সাথে খুবই বাজে আচরণ করেছে। আমার ১২টা ৪০ এ ফ্লাইট। এখন আমাকে রিলিজ করা হয়েছে, ইমিগ্রেশন দেওয়া হয়েছে। আমি এখন সেইফ আছি, তাদের সাথে কথা বলেছি।
ভিডিও বার্তায় মাহদী আরও বলেন, এখন তারা স্বীকার করছেন যে তারা নাকি ভুল মানুষকে ধরেছেন। কিন্তু তারা আমার সাথে খুবই বাজে এপ্রোচ করেছে। তাদের একজন আমাকে ফিজিক্যালি এবিউজ করছিল, বাজে ভাবে টাচ করতিছিল। এসময় তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন- একজন আন্তর্জাতিক যাত্রীর সাথে এসব করা উচিত কি-না?
মাহদী বলেন, তারা আমাকে এপ্রোচ করেছিল যে, এসআই সন্তোষকে মেরেছি। এজন্য আমার জোর করে আমার ফোন আনলক করেছিল, চেক করেছিল। তারা কি ইন্টারন্যাশনাল পেসেঞ্জারের প্রাইভেসি চেক করতে পারে?
ভিডিও বার্তায় মাহদী হাসান দেশবাসীকে তার আটকের খবরে দুশ্চিন্তা করায় ধন্যবাদ জানান।