অভিজিৎ দিপকের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার খরচের উৎস খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি

০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৪ PM
অভিজিৎ দিপক

অভিজিৎ দিপক © সংগৃহীত

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার ব্যয়ের অর্থ কোথা থেকে এসেছে, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভারতের সুরাটভিত্তিক তথ্য অধিকার (আরটিআই) কর্মী অমিত তিওয়ারি। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তার জন্য ঘোষিত ১ কোটি রুপির তহবিলের অর্থের উৎস ও বৈধতা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চেয়েছেন তিনি।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অমিত তিওয়ারি মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে অভিযোগ দিয়ে অভিজিৎ দিপকের বাবা ভগবানরাও দিপকের আর্থিক বিষয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ভগবানরাও দিপকে মহারাষ্ট্র সরকারের শিল্পোন্নয়ন সংস্থা এমআইডিসির অবসরপ্রাপ্ত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার।

অভিজিৎ দিপক যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তিনি ৬ জুন ভারতে ফিরে এসে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু করেন।

অমিত তিওয়ারি বলেন, ‘আমি মহারাষ্ট্র সরকারকেও অভিযোগ জানিয়েছি যে, ভগবানরাও দিপকে এমআইডিসির একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। যদি তার মাসিক বেতন ৬০ থেকে ৬৫ হাজার রুপি হয়ে থাকে, তাহলে তিনি কীভাবে তার সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার ব্যয় বহন করলেন?’

তিনি আরও বলেন, 'আমরা মহারাষ্ট্র সরকারকে জানিয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করা উচিত। যদি এটি আয়বহির্ভূত সম্পদের ঘটনা হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।'

এদিকে আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তার জন্য জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও রাজ্যসভার সদস্য কপিল সিবাল ঘোষিত ১ কোটি রুপির তহবিল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অমিত তিওয়ারি। এ বিষয়ে তিনি ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় পণ্য ও সেবা কর (জিএসটি) কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টি নিবন্ধিত কোনো রাজনৈতিক দল নয়। কিন্তু এটি রাজনৈতিক দলের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যদি এর জন্য ১ কোটি রুপির আইনি সহায়তা তহবিল ঘোষণা করা হয়ে থাকে, তাহলে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারার অধীনে দলটি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত কি না, তা কমিশনের যাচাই করা উচিত।’

অমিত তিওয়ারির দাবি, যদি দলটি নিবন্ধিত না হয়ে থাকে, তাহলে তারা কীভাবে অর্থ সংগ্রহ করছে, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

এ ছাড়া কপিল সিবাল ঘোষিত ১ কোটি রুপির আইনি সহায়তার অর্থের ওপর ১৮ শতাংশ জিএসটি কোথায় এবং কীভাবে পরিশোধ করা হবে, সেটিও জানতে চেয়েছেন তিনি।

এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে চলা আন্দোলনেরও সমালোচনা করেছেন অমিত তিওয়ারি। তার দাবি, শুরুতে আন্দোলনটি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হলেও পরে সেটি ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করি। আপনারা ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন করেছেন, নিট ইস্যুতে প্রতিবাদ করেছেন—এ পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু আন্দোলনের মাঝখানে আপনারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তার প্রয়াত মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছেন। বিদেশি নেতাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়েও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। এসব বিষয়েও আমরা অভিযোগ করেছি। এগুলো সম্পূর্ণ ভুল।’

বাবার লাশ রেখে সম্পত্তির বিরোধে দুই ভাইয়ের মারামারি, আহত ৪
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
সেই শার্ট গায়ে চাপিয়েই সংবাদ সম্মেলনে এসে ব্যাখ্যা দিলেন পু…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
জামায়াত আমির-সম্পাদকদের বৈঠকে যা যা হলো
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধায় সার সংকট আতঙ্কে কৃষকের লম্বা লাইন
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীতে অস্ত্রসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ক্লাবিং, চাকরি, গবেষণা—সাকিবের অর্জনের ঝুলিতে এখন ১০ বিশ্বব…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬