অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান © সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান নিজের বর্তমান ব্যস্ততা ও জীবনযাপন নিয়ে কথা বলেছেন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান।
পোস্টে তিনি জানান, তার শুভানুধ্যায়ী, বন্ধু ও শিক্ষার্থীদের অনেকেই তার বর্তমান দিনকাল সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, উপাচার্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় প্রশাসনিক দায়িত্ব ছাড়ার পর এখন তিনি মূলত শিক্ষকতা, গবেষণা ও প্রতিষ্ঠান গঠনের কাজে সময় দিচ্ছেন।
তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ক্লাস নিচ্ছেন এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে মেন্টরিং করছেন। পাশাপাশি গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি নিয়ে খণ্ডকালীন পরামর্শক ও ‘সিনিয়র স্ট্রাটিজিক অ্যাডভাইজার’ হিসেবে নতুন এই প্রতিষ্ঠানটির বিকাশে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছেন।
নিয়াজ আহমদ খান বলেন, বাংলাদেশে একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। এ উদ্যোগে দেশবরেণ্য উদ্যোক্তারা এগিয়ে এসেছেন এবং তিনি তার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সহায়তা করার চেষ্টা করছেন।
বর্তমানে দেশেই অবস্থান করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের সঙ্গে আগের তুলনায় বেশি সময় কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের কারণে ব্যক্তিগত গবেষণা ও লেখালেখিতে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা পূরণের চেষ্টা করছেন।
এ ছাড়া দীর্ঘদিন পর পরিবার ও বন্ধুদের সময় দেওয়া, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সবশেষে শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষকে আল্লাহ অনেক সম্মান দিয়েছেন। এক জীবনে এই ঋণ শোধ হওয়ার নয়।’
পাশাপাশি কবি রজনীকান্ত সেনের একটি গানের পঙক্তি স্মরণ করে সবার জন্য শুভকামনা জানান তিনি।