সুদীপ চক্রবর্তী ও মুনিরা মাহজাবিন মিমো © টিডিসি সম্পাদিত
‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাক, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দিও...।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মরদেহের পাশে পড়ে থাকা চিরকুটে লেখা ছিল এটি। আজ রবিবার রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এদিকে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামতের ভিত্তিতে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে তাকে।
এর আগে রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উত্তর বাড্ডা পূর্বাচল উদয়ন ম্যানশন ১০ নম্বর লেনের ৫৯০ নম্বর বাড়ির নবম তলা থেকে মিমোর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে। মিমো মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন। বাড্ডায় বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ডাইয়ারচর এলাকায়।
এ বিষয়ে পুলিশের গুলশান বিভাগের বাড্ডা জোনের এডিসি জুয়েল বলেছেন, ‘এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মামলা করেছেন মৃত শিক্ষার্থীর বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা। তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে সুদীপ চক্রবর্তীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
‘অন্যদিকে মিমোর ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকে হেফাজতে নেওয়া হলেও তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি এখনো। তবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাকে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে পুলিশ,’ বলছিলেন তিনি।