৭ই মার্চের ভাষণ বাজিয়ে আটক
৭ই মার্চের ভাষণ বাজিয়ে আটক হওয়া শিক্ষার্থী আসিফ © টিডিসি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ বাজিয়ে আটক হওয়া শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদ ছাত্রলীগ নেতা বলে জানা গেছে। তিনি জুলাই আন্দোলনে হামলায় জড়িতও ছিলেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকান ও হোটেলগুলো থেকেও চাঁদা আদায়ে জড়িত ছিলো সে।
জানা যায়, আসিফ আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শহিদুল্লাহ হলের শিক্ষার্থী ও হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। জুলাই আন্দোলন চলাকালীন শিক্ষার্থীদের উপর লাঠি নিয়ে হামালা চালান তিনি। তার হামলায় জড়িত থাকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে সমালোচনা করেছেন অনেকেই।
সজীব হোসাইনের নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, আজকে সারাদিন সে, ছাত্রলীগের হয়ে চাংখারপুলে মুজিব বয়ান বাজায়। এভাবেই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ফিরছে!
এদিকে আসিফ আহমদের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকান ও হোটেলগুলোতে নিয়মিত চাঁদা আদায় ও ফাও খাওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে এরআগে। নিয়মিত চাঁদা না দিলে দোকান ও হোটেল মালিকদের শাসানো, হুমকির দেওয়ার অভিযোগ ছিলো তার বিরুদ্ধে।
এরআগে আজ শনিবার (৭ মার্চ ) দুপুরে সাউন্ড বক্সে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর অভিযোগে চানখাঁরপুল এলাকা থেকে সাউন্ডবক্সসহ তাকে আটক করে শাহাবাগ থানায় আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৭ই মার্চ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের পার্শ্ববর্তী চানখাঁরপুল এলাকায় সাউন্ড বক্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ বাজাচ্ছিলেন আটক ওই শিক্ষার্থী। ভাষণের বিখ্যাত অংশ “এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম” বাজতে শোনা যায়। এসময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য সেখানে উপস্থিত হলে তাদের সঙ্গে তার কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ তাকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে থানায় নিয়ে যায়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে সাউন্ড অপারেটর ও মালিককে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সাউন্ড বক্সগুলো জব্দ করা হয়।