ধর্ষক-যৌন নির্যাতনকারী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, শিকড় উপড়ে ফেলা হবে: ডাকসু জিএস

১৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:৫০ PM
রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধনে বক্তব্য দিচ্ছেন ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ

রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধনে বক্তব্য দিচ্ছেন ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ © টিডিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, ‘যে কোনো ধরনের ধর্ষণ, সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের বিরুদ্ধে ডাকসুর জিরো টলারেন্স। শিক্ষক, কর্মচারী, কিংবা যার মাধ্যমেই হ্যারাসমেন্টের ঘটনা ঘটুক না কেন, সে যত বড়ই প্রভাবশালী হোক না কেন, তার শিকড় আমরা উপড়ে ফেলব।’

শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিমের ‘বিকৃত যৌনাচারের’ দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। এতে সংহতি জানিয়ে ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ এ কথা বলেন।

ফরহাদ বলেন, ‘একটি ক্রিমিনাল যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্রাইমে অভিযুক্ত হয় এবং প্রমাণিত হয়, তখন দুটি জায়গা থেকে তার মৌলিক শাস্তি আসা উচিত। একটি হলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং আরেকটি রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দুই জায়গাতেই আমরা যথেষ্ট গাফিলতি লক্ষ্য করেছি। শুধু গাফিলতি নয়, ইনটেনশনালি তারা বিষয়টি ইগনোর করছে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাইলে পারত তদন্ত কমিটি হতো, রিপোর্ট প্রকাশ হতো এবং সামগ্রিকভাবে একটি অ্যাকশনে যাওয়া যেত। প্রমাণ যেমনই হোক, প্রমাণিত হওয়ার পর অ্যাকশন নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব ছিল। আমরা সন্দেহ করছি সেই ফ্যাকাল্টি, সেই ডিপার্টমেন্ট কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো শিক্ষক এই ঘটনায় জড়িত কিনা, হয়তো সেই কারণেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।’

ডাকসুর জিএস আরও বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে একটি কথা স্পষ্ট যে কোনো ধরনের ধর্ষণ বা যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স।’

আরও পড়ুন: চার বিয়ের ব্যাপারে ইসলামের বিধানের বিরুদ্ধে কিছু বলিনি: তুলি

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মাদ বলেন, ‘আপনারা জানেন অধ্যাপক এরশাদ হালিমকে গ্রেপ্তার করার পরে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল তাকে রিমান্ডে নিয়ে জবাবদিহি করা। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি রাষ্ট্র তার রিমান্ডের আবেদন করলই না। আমরা মনে করি এটি একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ। তাকে কোন রাজনৈতিক গোষ্ঠী শেল্টার দিচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি করে বলে দিতে চাই কালবিলম্ব না করে তার রিমান্ড আবেদন করে রিমান্ড কার্যকর করুন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আহবান জানাব জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠক ডেকে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করতে হবে এবং ধর্ষকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।’

সমকামিতার বিরুদ্ধে আমরা রাষ্ট্রের সুস্পষ্ট আইন চাই উল্লেখ করে মুসাদ্দেক আলী বলেন, ‘যারা যারা সমকামিতার সাথে জড়িত হবে তাদের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

কর্মচারী নিয়োগ দেবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্য…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
জানাজার সময় তদন্ত করতে গিয়ে হামলার শিকার দুই পুলিশ, রাতেই ব…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, চরিত্র ও আমাদের জন্য আদ…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
‘তোমরা লেখবা, আর আমরা তো তোমাদের পিটাব’—বক্তব্য নিতে ফোন কর…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
বিশ্ববাজারে দাম কমল তেলের
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর যুবদল নেতার নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ,…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬