ইউজিসির সাবেক সদস্য ড. বিশ্বজিৎ চন্দের বিরুদ্ধে পিএইচডি জালিয়াতির অভিযোগ

১৯ অক্টোবর ২০২৪, ১১:৩৭ PM , আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৫, ১১:০৫ AM
ইউজিসির সাবেক সদস্য ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও রাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলাম

ইউজিসির সাবেক সদস্য ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও রাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলাম © টিডিসি ফটো

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদ্য সাবেক সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দের বিরুদ্ধে পিএইচডি ডিগ্রি জালিয়াতির অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তারই এক সহকর্মী। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বিনা ছুটিতে তিনি প্রায় ১১ মাস বিদেশে অবস্থান করেন এবং ওই সময়টাকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত দেখিয়ে বেতন-ভাতাদি নিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আইন বিভাগের অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, বিশ্বজিৎ চন্দ পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৪ বছর ১১ মাস ২৮ দিন পূর্ণ বেতনে এবং ২০০৮ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ২ বছর ১০ মাস ২৯ দিন বিনা বেতনে লন্ডনের ‘সোয়াস’ এ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ১০ মাস ২৯ দিন বিদেশে অবস্থান করেন। তবে ওই সময়টায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত দেখিয়েছেন। গবেষণাকর্মে নিয়োজিত দেখিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান।

লিখিত বক্তব্য মোর্শেদুল ইসলাম আরও বলেন, বিশ্বজিৎ চন্দ ‘সোয়াস’ থেকে ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন মর্মে কাগজপত্র প্রদর্শন করে ২০১৮ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। পরে ২০২০ সালে তিনি ইউজিসির সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। তবে তাঁর জমাকৃত সোয়াসের প্রত্যয়নপত্রে দেখা যায়, পিএইচডি ডিগ্রি নয়, তিনি ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেছেন। অর্থাৎ বিশ্বজিৎ চন্দ পিএইচডি ডিগ্রি জালিয়াতির মাধ্যমে অধ্যাপক পদে পদায়ন নিয়েছেন।

লিখিত বক্তব্য তিনি দাবি বলেন, পিএইচডি ডিগ্রি কার্যে ব্যয়িত ৬ বছর ১১ মাস ২৮ দিনের অনুমোদিত ছুটি তার অ্যাক্টিভ সার্ভিস থেকে কর্তন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিনা অনুমতিতে ১০ মাস ২৯ দিন কর্মহীন অবস্থায় বিদেশে অবস্থান করায় গৃহীত আর্থিক সুবিধা ফেরত দিতে হবে। সার্ভিস রুল অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া তাকে অবৈধ যোগদানে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তার অধ্যাপক পদ বাতিল করে ‘গোল্ডেন হ্যান্ডশেক’–এর সব কার্যক্রম অনতিবিলম্বে বন্ধ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এসব ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
গণভোট বিষয়ে জনগণকে উৎসাহিত করা প্রত্যেকটি দলের দায়িত্ব: জুন…
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
সুন্দরবনে ভ্রমণে এসে অপহৃত তিন পর্যটককে ছাড়তে মুক্তিপণ দাবি
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
সালতামামি ২০২৫: চুয়েটে আন্দোলন ও শাসনের প্রশ্নে এক বছর
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
যশোরের ছয়টি আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ ১৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল…
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রিমিয়ার লিগ জেতার দৌড়ে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষ দুইয়ে অ্…
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
X
APPLY
NOW!