আইনি সচেতনতা সৃষ্টিতে লিগ্যাল এম্পাওয়ারম্যান্ট বাংলাদেশের যাত্রা শুরু

২৬ নভেম্বর ২০২৩, ০৩:৩২ PM , আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০২৫, ০৪:১৪ PM

© টিডিসি ফটো

জনসাধারণের মাঝে আইনি সহায়তা, সচেতনতা ও আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে একদল তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় প্রথমবারের মতো আইনি সংগঠন 'লিগ্যাল এম্পাওয়ারম্যান্ট বাংলাদেশ (এলইবি)' গঠিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠনটি ইতিমধ্যে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

আইনি সচেতনতায় সৃষ্টিতে এলইবি কয়েকটি উইং এ বিভক্ত হয়ে কার্যক্রম পরিচালিত করবে। সংগঠনটির কার্যক্রমকে গতিশীল করতে  ইতিমধ্যে লিগ্যাল এডুকেশন টিম, লিগ্যাল রিসার্চ টিম এবং মিডিয়া এন্ড প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টিমের সমন্বয়ে সাংগঠনিক কাঠামো গঠিত হয়েছে। এই টিমগুলোর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে এলইবির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ 'এলইবি এক্সিকিউটিভ প্যানেল'।

এলইবির প্রথম এক্সিকিউটিভ প্যানেলে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. খাইরুল ইসলাম। দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্যরা হলেন- প্রোগ্রামস ডিরেক্টর চবি আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাব্বি তৌহিদ, ডিরেক্টর অব হিউম্যান রিসোর্সেস বায়েজিদ হোসেন, ডিরেক্টর অব অরগানাইজেশনাল ডেভেলপমেন্ট রাকিবুল হক। 

এছাড়াও টিমে হেড ও ডেপুটি হেড হিসেবে ইতমিনান মনির বাসিলিস, এ.এম ইয়াসির, মুসতাকিম ফয়সাল, চবি হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজম্যান্ট বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া শ্রাবণী, চবি ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ  সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া মিথিলা, চট্টগ্রাম ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মুস্তফা করিম চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। 

ডিরেক্টর অফ প্রোগ্রামস রাব্বি তৌহিদ দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আইনি সহায়তা, সচেতনতা ও আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা কয়েকজন আইন সচেতন শিক্ষার্থী মিলে 'লিগ্যাল এম্পাওয়ারম্যান্ট বাংলাদেশ (এলইবি)' প্রতিষ্ঠা করেছি।  বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনি সচেতনতার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে, যার ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয় এবং প্রতারণার শিকার হয়। দেশে আইনি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাগ্রতার সহিত কাজ করে যাচ্ছে এমন সংগঠন পরিলক্ষিত হয়না। এজন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনি সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের আইনি অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এলইবি কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের সাধারন মানুষ আইন ও তাদের অধিকার সম্পর্কে একেবারেই সচেতন নয়। সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করবো সহজ ভাষায় সাধারন মানুষের কাছে আইন পৌঁছে দিতে, যাতে করে তাদেরকে থানায় বা কোর্টে গিয়ে হিমশিম খেতে না হয়।

এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, দেশে ভোক্তা অধিকার রক্ষায় 'ভোক্তা অধিকার প্রতিরক্ষা আইন, ২০০৯' রয়েছে, তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য 'তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯' রয়েছে। এগুলো বাদেও অনেক আইন রয়েছে যেগুলো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অধিকার রক্ষায় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু এসকল আইন সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে তা হয়ে উঠছেনা। এলইবি মূলত মানুষের মধ্যে এই সকল আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবে।

৩০০ নেতাকর্মীসহ বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিলেন মাহাবুব মাস্…
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
চলতি সপ্তাহে একদিন ছুটি নিলেই মিলবে টানা ৪ দিনের ছুটি
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন নারীরা: র…
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
সেই ‘দুখিনী মা’য়ের সম্মানে সুবর্ণচরকে পৌরসভায় উন্নীত করবে জ…
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ফেলোশিপে উচ্চশিক্ষার সুযোগ…
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
ঘুরতে গিয়ে নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ, তিন ঘণ্টা পর শাকসুর হলে…
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬