১৫% বিশেষ প্রণোদনা না পাওয়ায় এমপিওভুক্ত জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের ক্ষোভ

২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৩২ AM , আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:২০ PM
সরকারি লোগো

সরকারি লোগো © ফাইল ছবি

অর্থ বিভাগের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এমপিওভুক্ত সিনিয়র (জ্যেষ্ঠ) শিক্ষকরা ১৫ শতাংশ প্রণোদনা পাচ্ছেন না। এর পরিবর্তে মাত্র ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাদের। বিষয়টি নিয়ে সারাদেশে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শিক্ষকরা এটিকে নির্দেশনা লঙ্ঘন ও বৈষম্যমূলক আচরণ হিসেবে উল্লেখ করে তা দ্রুত সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৩ জুন অর্থ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় বেতনস্কেলের আওতাভুক্ত কর্মচারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া। সেখানে গ্রেড ১ থেকে ৯ পর্যন্ত ১০ শতাংশ এবং গ্রেড ১০ থেকে ২০ পর্যন্ত ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা নির্ধারণ করা হয়।

পরবর্তীতে একই বছরের ২৩ জুন জারি করা এক স্মারকের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্যও এই বিশেষ সুবিধা কার্যকর করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও একই নীতিমালার আওতায় আসেন বলে স্পষ্ট করা হয়।

পরবর্তীতে ৩০ জুলাই জারি করা পৃথক আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গ্রেড বলতে টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড নয়; বরং সংশ্লিষ্ট পদের জন্য নির্ধারিত প্রারম্ভিক (Substantive) গ্রেডকেই বোঝাবে। এই ব্যাখ্যার ফলে এমপিওভুক্ত সিনিয়র শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা ১৫ শতাংশ প্রণোদনা পাচ্ছেন না।

অভিযোগ রয়েছে, জুলাই ২০২৫ থেকে এমপিওভুক্ত সিনিয়র শিক্ষকরা তাদের প্রাপ্য ১৫ শতাংশের পরিবর্তে মাত্র ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন। এতে করে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, একই সঙ্গে পেশাগত মর্যাদাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

শিক্ষকরা বলছেন, একই নীতিমালার আওতায় অন্যান্য পেশাজীবীরা প্রারম্ভিক গ্রেড অনুযায়ী ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন। অথচ এমপিওভুক্ত পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তাদের মতে, এ ধরনের বৈষম্য শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা তৈরি করছে এবং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের ওপর আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন চাকরি করে পদোন্নতি পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই বঞ্চনা আরও প্রকটভাবে দেখা দিচ্ছে।

এ বিষয়ে ঘোষপা ক্যাপ্টেন ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, ‘সরকারি প্রজ্ঞাপনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও এমপিওভুক্ত পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে তা বাস্তবায়ন না হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে যে গ্রেড বলতে প্রারম্ভিক গ্রেড বোঝাবে। সেই অনুযায়ী আমাদের ১৫ শতাংশ প্রণোদনা পাওয়ার কথা।

তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এই নির্দেশনা উপেক্ষা করে আমাদের মাত্র ১০ শতাংশ দেওয়া হচ্ছে। এটি শুধু প্রশাসনিক ত্রুটি নয়; বরং এটি সরাসরি প্রজ্ঞাপন লঙ্ঘন এবং বৈষম্যমূলক আচরণ।’

বাকিতে চা না দেওয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে জাইমা রহমান
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
রাশিয়ার তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
অফিসার নিয়োগ দেবে এসএ গ্রুপ, কর্মস্থল চট্টগ্রাম
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বিতীয় দফা বৈঠকের তারিখ ঠিক হয়নি
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
জবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলার আয়োজন করবে জকসু
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬