অ্যাডভোকেট হলেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইনান

শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান
শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান  © ফাইল ছবি

আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। বৃহস্পতিবার (০৯ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশিত হয়।

এর আগে আইনজীবী তালিকাভুক্তির জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মৌখিক পরীক্ষা গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়। শেষ হয়েছে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পাঁচ হাজার ২০৯ জন প্রার্থী এ ভাইভায় অংশ নেন। শেখ ইনানে ভাইভা ছিল গেল ১৭ ফেব্রুয়ারি।

আইনজীবী তালিকাভুক্তির ফলাফল পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইনান। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ফলাফল পেয়ে ভালো লেগেছে। আমি ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি পড়াশোনো করেছি এবং উত্তীর্ণও হয়েছি। ছাত্ররাজনীতির শেষে আইন পেশায় যুক্ত হবো।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষায় পাঁচ হাজার ২০৯ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ হাজার ৯৪৫ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়াও তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে খাতা গেছে ৩২৪ জনের। পাশাপাশি একজন পরীক্ষার্থীর খাতা পরে পর্যবেক্ষণের জন্য রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ২৯ বছর পর বাবা হত্যার প্রতিশোধ নিলেন আইনজীবী ছেলে

গত ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ল্যাবেরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উদয়ন মাধ্যমিক স্কুল, সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪০ হাজার ৬৯৬ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হন ১০ হাজার ২৫৭ জন।

আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তিন ধাপে- নৈর্ব্যক্তিক, লিখিত ও মৌখিক। কোনো পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তিনি তিনবার সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার জন্য বিবেচিত হন।

শেখ ইনান গেল বছরের ২০ ডিসেম্বর ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। এ কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। সাদ্দাম ও ইনান দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী। তার আগে গত ৬ ডিসেম্বর সংগঠনটির ৩০তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।