জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ
ছাত্রলীগ © লোগো
জামালপুরের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রদের মারধর করে ছাত্রলীগের নেতারা আবাসিক হলের একটি কক্ষ দখলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৭ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে কলেজের মির্জা আজম আবাসিক হলে এ ঘটনা ঘটে।
হলে মারধরের ঘটনায় দুজন ছাত্র আহত হয়েছেন। তারা হলেন চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মো. জাকারিয়া জাকির ও মো. ওয়ালিউল্লাহ। এর মধ্যে জাকারিয়া গুরুতর আহত হয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জানা গেছে, রাত ১২টার দিকে মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ১০-১২ জন নেতার একটি দল মির্জা আজম হলে ঢোকে। পরে তারা সাধারণ ছাত্রদের মারধর করে ওই হলের ৩১৫ নম্বরের কক্ষটি দখলে নেন। এ সময় সাধারণ ছাত্ররা বিষয়টির প্রতিবাদ করলে তাঁদের মারধর করা হয়। এ সময় দুই ছাত্র আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ছাত্র অভিযোগ করেন, কলেজের ছাত্রলীগ নেতাদের কর্মকাণ্ডে তারা অতিষ্ঠ। বিভিন্ন সময় তাঁদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় চতুর্থ বর্ষের ছাত্রদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাদের একটি বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরেই গতকাল রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগের বিষয়ে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. হাবিবুল্লাহ হাবীব বলেন, এটি ছাত্রলীগের কোনো ঘটনা নয়। কক্ষটি দীর্ঘদিন ধরে চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্র দখল করে ছিলেন। কলেজে কয়েকজন নতুন শিক্ষার্থী আসায় কর্তৃপক্ষ ওই ছাত্রকে কক্ষটি ছেড়ে দিতে বলেছিল। ওই ছাত্র কক্ষটি ছেড়েও দিয়েছেন। পরে ওই কক্ষে নতুন চারজন ছাত্র উঠেছেন। গতকাল ওই ছাত্র আবার এসে কক্ষের লাইট খুলে নেন এবং নতুন ছাত্রদের বের হয়ে যেতে বলেন। পরে ওই চার ছাত্র তাদের সিনিয়রদের বিষয়টি জানালে তারা এসে বিষয়টি সমাধান করে দেন।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রেজাউল ইসলাম খান জানান, কলেজের মারামারির খবর পাওয়ার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।