ডিসিদের সন্তানদের জেলা স্কুলেই পড়তে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৮ PM
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ডিসিদের সন্তানরা ঢাকায় পড়াশোনা করবেন—এই নীতি এখন আর চলবে না। এখন থেকে তাদের কর্মরত জেলার স্কুলেই সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।  

শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বাধ্যতামূলক করা উচিত জিলা স্কুলে ডিসিদের সন্তান পড়ানো। এগুলো খুব মসাইক্রোস্কোপিং ব্যাপার, এগুলো আমাদের দেখতে হবে। 

পরীক্ষায় নকলের পরিবর্তিত ধরন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, এখন অত্যন্ত অভিনব ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে নকল করা হচ্ছে। এর মোকাবিলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোকে পর্যায়ক্রমে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। কড়া নজরদারির মাধ্যমে পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার সমালোচনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনেক শিক্ষক নিজে খাতা না দেখে ‘হেলপার’ দিয়ে খাতা দেখান। এমনকি কয়েকদিন পর খাতা লিখে দেয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এবার আর তা হবে না। দৈবচয়ন ভিত্তিতে পরীক্ষার খাতা পুনরায় যাচাই করা হবে।

যেসব স্কুলে পাসের হার শূন্য, সেই শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এবার কোনো স্কুলে কেউ পাস না করলে বা জিরো পেলে আমি কিছু বলব না, তবে এমন কথা বলব যা আপনাদের গাত্রদাহের কারণ হবে। তাই ভালো ফলাফলের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সংঘবদ্ধ চক্র নকলে সহায়তা করলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা চাই না বিনা পরীক্ষায় কেউ পাস করুক বা বিনা মেধায় কেউ সার্টিফিকেট পাক। যারা লেখাপড়া করবে না, শুধু টিকটক করবে— তাদের নিয়ে আমি ভাবছি না; যারা পড়াশোনা করবে, আমাদের চিন্তা কেবল তাদের নিয়ে। অনেকে আবার পদত্যাগ দাবি করে রাস্তায় নেমে ‘মব’ করে। বোর্ডে বোর্ডে প্রতিযোগিতা চলে- কার বোর্ডে পাসের হার বেশি। সারাদেশে একটি অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া উচিত। শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আনতে হবে, যেন শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে কোনো সময় নষ্ট না হয়।

অনুষ্ঠানে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কারিগরি বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

আশকোনা হজক্যাম্প থেকে চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধার, গ্রেপ্তার দুই
  • ০২ মে ২০২৬
ইলেক্ট্রিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি
  • ০২ মে ২০২৬
বাঁচতে চান ক্রোনস ডিজিজে আক্রান্ত নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী সাখা…
  • ০২ মে ২০২৬
চাঁদাবাজির প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, জা…
  • ০২ মে ২০২৬
আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ডিআইইউর প্রতিনিধিত্ব করবেন হাসিন ইসরাক
  • ০১ মে ২০২৬
নতুন রিটেক নিয়মে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা, ৫০০ টাকার ফি লাফ …
  • ০১ মে ২০২৬