ইউজিসির সামনে মানববন্ধন

’৫১ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন পাঠের বাইরে, এরা পরীক্ষা দেবে কিভাবে?’

১৩ জুন ২০২১, ০৩:০৬ PM
ইউজিসির সামনে মানববন্ধন

ইউজিসির সামনে মানববন্ধন © সংগৃহীত

‘অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। সেখানে ৬০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত হতে পারেনি। সেখানে অনলাইনে পরীক্ষায় কোনোভাবেই সবার অংশগ্রহণ সম্ভব হবে না। শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেকেই ঝড়ে পড়ছেন। এ পরিস্থিতি থাকলে আরও অনেকেই ঝরে পড়বে। আমরা আশা করছি, বৈষম্য সৃষ্টি করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’ দ্রুত স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হল খুলে দেয়ার দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সামনে মানববন্ধনে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো: মশিউর নামে এসব কথা বলেন। রবিবার (১৩ জুন) ওই মানববন্ধনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়।

মো. মশিউর আরো বলেন, ‘কিছুদিন আগে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) ও বেসরকারি সংস্থা একশনএইড এক জরিপ করে দেখেছে, ৫১ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন পাঠের বাইরে। যারা এতদিন ক্লাস করেনি, তারা পরীক্ষা দেয়ার জন্যও প্রস্তুত নয়। এরা পরীক্ষা দেবে কিভাবে? করোনা পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থী বিভ্রান্ত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীরা বিকৃত হয়ে সর্বনাশের পথে এগোচ্ছে। এখন হল না খুলে পরীক্ষার আয়োজন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অনেকের পক্ষে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকা সম্ভব নয়। ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য অবশ্যই হল খুলে দিতে হবে।’

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, যদি স্বশরীরে ক্লাস না নিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়, তবে তা ৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য গ্রহণযোগ্য হবে, কিন্তু ৫১ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য গ্রহণযোগ্য না। ৫১ শতাংশ শিক্ষার্থীকে প্রতি এ ধরনের বৈষম্য কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়। 

পড়ুন: হল খুলে পরীক্ষার নেয়ার দাবিতে ইউজিসির সামনে মানববন্ধন

অন্য শিক্ষার্থীরা বলেন, হল বন্ধ থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে গ্রামে চলে গেছেন। সেখানে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেও গতির সমস্যায় অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হতে পারছেন না। যেখানে ক্লাসেই যুক্ত হতে পারেন না, সেখানে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রাহাত বলেন, ‘আমাদের পড়াশোনা শেষ করে চাকরি নিতে হবে। এখন আমরা পড়াশুনা শেষ করতে না পারলে কীভাবে চাকরিতে আবেদন করবো? আমাদের জীবন কীভাবে পরিচালিত হবে? তাই আমরা মনে করি, দ্রুত হল, ক্যাম্পাস খুলে দেওয়া উচিত। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস, পরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

তিনি আরো বলেন, ‘যদি দোকানপাট চলতে পারে, গণপরিবহন চলতে পারে, তাহলে আমরা কেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাসে আসতে পারবো না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিন, আমাদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের ব্যবস্থা করে দিন।’

 

ডিআইইউ ও দেশ ভগত ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি অপচয় রোধে ঢাবিতে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
অভিজ্ঞতার বাধা ডিঙিয়ে অধ্যাপক হচ্ছেন বিএনপির স্বাস্থ্য সম্প…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতি-ঘুষের দৌরাত্ম্য, ভুক্তভোগীদের …
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
জীবিকার তাগিদে নদীতে নেমে আর ফেরা হলো না জেলে জসিমের
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
পড়ার টেবিলে হঠাৎ অসুস্থ, না ফেরার দেশে চবি শিক্ষার্থী
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬