চবিতে ছাত্রদল-শিবিরের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ

২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৪ AM
ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ © টিডিসি ফটো

চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে দেয়ালের গ্রাফিতিতে 'গুপ্ত' লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিল করেছে সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা। 

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ছাত্রদল ও রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ইসলামি ছাত্রশিবির।

ছাত্রদলের মিছিলটি জিরো পয়েন্ট থেকে সোহরাওয়ার্দী হল হয়ে এ এফ রহমান হলের গেট দিয়ে প্রবেশ করে আলাওল হলের সামনে দিয়ে ২ নম্বর গেটে গিয়ে শেষ হয়। অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের মিছিলটি জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দী মোড় হয়ে আলাওল হল, এ এফ রহমান হল ও নিরাপত্তা দপ্তর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সোহরাওয়ার্দী মোড় হয়ে জিরো পয়েন্টে ফিরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

মিছিলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা 'গুপ্তদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও', একটা একটা শিবির ধর, 'ধইরা ধইরা জেলে ভর' ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। 

জবাবে পাল্টা স্লোগান দেয় ছাত্রশিবির। নেতাকর্মীদের 'সন্ত্রাসীদের আস্তানা, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও, 'গুপ্ত বলিস কাদেরকে? তুই ছিলি লন্ডনে', 'বিচার বিচার বিচার চাই, সন্ত্রাসীদের বিচার চাই' ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন। তিনি বলেন, সিটি কলেজে দেয়ালে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নামে লিখন ছিল সেখানে কারা যেন ছাত্র কেটে গুপ্ত লিখেছিল, সেটা গুপ্তদের (শিবিরের) পছন্দ হয়নি। তাই তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করেছে। আমরা হুঁশিয়ারী দিয়ে বলতে চাই, আমরা অনেক নরম আচরণ করেছি আর নয়। আমরা আর কোনো গুপ্ত রাজনীতি মেনে নেবো না।

অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের শাখা সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সহিংসতার রাজনীতি শুরু হয়। ছাত্রলীগ এখন নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একজন ইঞ্জিনিয়ারিং করে সংসদ সদস্য হয়ে নীরব থাকলেও তার অনুসারীরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। যেকোনো আক্রমণের জবাব পাল্টা আঘাতের মাধ্যমে দেওয়া হবে বলে সতর্ক করে তিনি শিক্ষিত সমাজসহ সবাইকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

এছাড়া চবি শিবিরের সভাপতি ও চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, সাম্প্রতিক হামলায় শুধু ছাত্র পরিচয়ে থাকা ক্যাডাররাই নয়, বরং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমর্থকদেরও ভাড়া করে যুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আগস্টে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আদর্শ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আন্দোলন করেছিলাম—যেখানে নিরাপত্তা, শিক্ষা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘গুপ্ত’ শব্দের অপব্যবহার করে আবারও ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। হামলার ঘটনায় দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করা না হলে পরিস্থিতি আরও. খারাপ হবে। আমরা আর ট্যাগিং-বুলিংয়ের রাজনীতি চাই না।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে উভয় সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। 

গোবিপ্রবিতে ৪০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে হতে যাচ্ছে…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীতে সরকারি পিআইসিইউ মাত্র ৪৩, হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুর…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
গুম দিবসে সংসদ অভিমুখে কর্মসূচির ঘোষণা করল ১১ দলীয় জোট
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় চলমান ৪ স্কলারশিপ, করুন আবেদন
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
বিআরটিসিতে মাসিক ভাতাসহ ইন্টার্নশিপের সুযোগ, আবেদন ২০ সেপ্ট…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬