প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পা ধরতে রাজি ড. কামাল হোসেন

১৮ আগস্ট ২০১৮, ১১:২১ AM
ড. কামাল হোসেন

ড. কামাল হোসেন © ফাইল ফটো

নিরাপদ সড়ক ও কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুক্তি চেয়ে গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘এই দুটি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সাধারণ যে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদেরকে ছেড়ে দিন।  প্রয়োজনে আমি আপনার পা ধরতেও রাজি আছি।  আপনার পা ধরে নিবেদন করতে চাই, গ্রেপ্তার করা শিক্ষার্থীদের আপনি মুক্তি দিন।’

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংহতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।  নিরাপদ সড়ক ও কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন বন্ধ ও গ্রেপ্তারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এই সভার আয়োজন করে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া।

এ সময় ড. কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে বিনীত আবেদন, আপনি উদারতার পরিচয় দিন।  গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিন।  সামনে ঈদ। ঈদ উপলক্ষে আপনি সবাইকে মুক্তি দিন।

তিনি বলেন, একাত্তরের পর অনেক স্বৈরাচারই ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু টিকতে পারেনি।  স্বৈরাচারী কায়দায় কখনোই ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না।  আগামী ৩ বছর পর স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হবে।  আসুন এই ৩ বছরের মধ্যে আমরা এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলি যেখানে কোনও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া হবে না এবং যে উদ্দেশ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে তা বাস্তবায়িত হয়।

ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মালিক জনগণ।  রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যারা আছেন তাদেরকে জণগণের সেবক হিসেবে দেশ শাসন করা উচিৎ।  সবাইকে মালিক হিসেবে একত্রে দাঁড়াতে হবে। আসুন আমরা এই ঈদে এই বাণী নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাই এবং সকলকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।

পাকিস্তানে ‘শান্তি আলোচনায়’ যেসব বিষয় নিয়ে ইরানের সঙ্গে দর-…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
‘আমি মামলা করি না, নিজের বিচার নিজে করি’
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে স্বাগত জানাল হামাস
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
৩ দাবি: ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বোট ক্লাবে চাকরি, নিয়োগ দেবে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে চীন
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
close