পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হয়েও বাদ পড়া শামীম বললেন— ‘অনেক পরিশ্রম করেও তো মানুষ ব্যর্থ হয়’

১৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩০ PM , আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩২ PM
শামীম শাহরিয়ার

শামীম শাহরিয়ার © সংগৃহীত

‘অনেক পরিশ্রম করেও তো ব্যর্থ হতে পারে মানুষ। আমি মনে করি, সফলতা কোনো গন্তব্য নয়, এটা একটা যাত্রা। শতভাগ চেষ্টা করার পরেও যদি কিছু না পাই, তাতেও আমি খুশি। কারণ, এই যাত্রায় অনেক অভিজ্ঞতা তো হবে’— কথাগুলো বলছিলেন পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হয়েও বাদ পড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) সাবেক ছাত্র শামীম শাহরিয়ার। সম্প্রতি প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা বলেন তিনি। গেজেটে নাম প্রকাশের জন্য পুনরায় আবেদন করেছেন বলেও সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন এই তিনি।

শামীম শাহরিয়ার প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছিলেন। কিন্তু যোগদানের দিনই তিনি ৪৪তম বিসিএসের পররাষ্ট্র ক্যাডারের মৌখিক পরীক্ষার ডাক পান। এরপর পররাষ্ট্র ক্যাডারে হয়ে যান প্রথম। গত বছরের ১ জুলাই এই ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে ১ হাজার ৪৯০ জন প্রার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়, বাদ পড়েন উত্তীর্ণ হওয়া ১৮৬ জন। এই বাদ পড়াদের তালিকায় শামীম শাহরিয়ারও রয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে শামীম শাহরিয়ার বলেন, ‘মা–বাবা আমাকে কোনো দিন পড়তে বসতে বলেননি। তারা সব সময় অনুপ্রাণিত করতেন, যেন পড়াশোনা উপভোগ করি। বাবা বলতেন, তুমি পড়তে থাকো, জানতে থাকো, চেষ্টা করতে থাকো। রেজাল্ট যেমনই হোক, আমার আপত্তি নাই।’

tdc (72)
ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নকালে ডা. শামীম শাহরিয়ার

তিনি বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেলে একাডেমিক পড়ালেখার খুব চাপ ছিল। এর ফাঁকে ফাঁকেই টুকটাক ফিকশন, নন–ফিকশন পড়েছি। এমবিবিএসের পরের সময়টা ছিল সবচেয়ে মজার। বিসিএসের গাইড বইয়ে হয়ত কোনো বইয়ের নাম পেলাম, হাঁটতে হাঁটতে নীলক্ষেতে চলে যেতাম। সেই বই কিনে পড়া শুরু করে দিতাম। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রায় সব একাডেমিক বই পড়ে ফেলেছি। অনেক কিছুই হয়ত বুঝিনি, তবু পড়া চালিয়ে গিয়েছি। ভাল লেগেছে। আমাদের বন্ধুদের একটা পাঠচক্রের মত ছিল। আমরা পড়তাম, ওই বিষয় নিয়ে তর্ক করতাম, গল্প করতাম।’

ক্যাডারে প্রথম হয়েও বাদ পড়া প্রসঙ্গে শামীম শাহরিয়ার বলেন, ‘অনেক পরিশ্রম করেও তো ব্যর্থ হতে পারে মানুষ। আমি মনে করি, সফলতা কোনো গন্তব্য নয়, এটা একটা যাত্রা। শতভাগ চেষ্টা করার পরেও যদি কিছু না পাই, তাতেও আমি খুশি। কারণ, এই যাত্রায় অনেক অভিজ্ঞতা তো হবে।’

শামীম শাহরিয়ারের বাড়ি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার নলপুকুরিয়া গ্রামে। বাবা মো. হাতেম আলী কৃষক। মা আসমা বেগম গৃহিণী। শামীমেরা দুই ভাই-বোন। বোনের বিয়ে হয়েছে। ২০২০ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি ঢামেক হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন।

রবিবার থেকে নতুন সময়সূচিতে অফিস
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
জিমেইলের নাম পরিবর্তনের সুযোগ দিল গুগল, জেনে নিন নিয়ম
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
পবিপ্রবিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিল শিক্ষার্থীরা,…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
এক দশকের গবেষণায় নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদ…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানাল কর্তৃপক্ষ
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ভয়াবহ ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের মুখে কানাডা, ঝুঁকিতে শিশু ও তরু…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬