মেহেদী হাসান © সংগৃহীত
মাত্র ৩ রান ব্যবধানে ৩ উইকেট হারানো টাইগার শিবিরকে টেনে তুলছিলেন শেখ মেহেদী ও জাকির আলী জুটি। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ফিফটিও তুলে ফেলেন তারা। তবে এরপরই বিদায়ঘণ্টা বাজে মেহেদী।
মোহাম্মদ নেওয়াজকে ছক্কা হাঁকানোর পরের বলেই আউট এই অলরাউন্ডার। লং অফে তার ক্যাচ নেন হাসান নেওয়াজ। এতে ৫৩ রানের পঞ্চম উইকেট জুটিও। ২৫ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন মেহেদী।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৪ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৫ রান। জাকের আলীর সঙ্গে উইকেটে আছেন শামীম পাটোয়ারী।
এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। ৭ বল খেলে মাত্র ৩ রান যোগ করে ফেরেন তানজিদের জায়গায় সুযোগ পাওয়া নাঈম শেখ।
ফাহিম আশরাফের বলটি উইকেটকিপারের মাথার ওপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ঠিক মতো টাইমিং করতে না পারায় ক্যাচ তুলে দেন সরাসরি উইকেটরক্ষকের হাতে।
এরপর সতীর্থ নাঈমের দেখানো পথেই হাঁটেন। সালমানকে উড়িয়ে ডিপ মিডউইকেটে খেলতে চেয়েছিলেন লিটন। তবে টাইমিং না হওয়ায় হাসান নেওয়াজের ক্যাচ হয়ে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৯ বলে ১ চারে ৮ রান করে বিদায় নেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার।
এরপর রানআউটে কাটা পড়েন তাওহীদ হৃদয়। মিড অফে বল ঠেলে একটি রান চুরি করতে চেয়েছিলেন হৃদয়। কিন্তু সরাসরি থ্রোয়ে ননস্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেট ভেঙে দেন সালমান আলী। ৪ বলের মধ্যে ২ উইকেট হারানো সালমান মির্জার ওভারটিতে কোনো রান নিতে পারেনি স্বাগতিকরা।
পাওয়ার প্লে:তে ইমনের উইকেটও হারায় বাংলাদেশ। কিছুটা রয়েসয়ে উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করছিলেন এই ওপেনার। তবে শেষমেশ আগের ম্যাচের মত রঙিন ইনিংস সাজানো হয়ে উঠেনি তার। ১৪ বলে ১৩ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। এতে ১১ বলের মধ্যে ৩ রান তুলতে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।