স্মার্টফোনে স্মার্ট, দুর্বল কম্পিউটারে— চাকরি পেতে হোঁচট খাচ্ছেন নবীন স্নাতকরা

০৭ জুন ২০২৬, ১০:২৫ AM , আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:৩০ AM
স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ

স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ © টিডিসি সম্পাদিত

সকালের প্রথম বাসে করে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এসেছেন মেহেদী হাসান। উদ্দেশ্য— ভাইভা দেওয়া। দেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন তিনি। শিক্ষাজীবনে ছিলেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সক্রিয় নেতা। আত্মবিশ্বাস নিয়েই ঢুকেছিলেন একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরির সাক্ষাৎকারে। কিন্তু কয়েক মিনিট পরই মলিন মুখে বেরিয়ে আসেন তিনি।

সাক্ষাৎকার কক্ষে ঢোকার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। প্রশ্নের উত্তর নয়, বরং তাকে বলা হয় মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে টাইপিং করে একটি টেবিল তৈরি করতে। সঙ্গে দেওয়া হয় এক্সেলের আরও একটি কাজও। স্মার্টফোনে অ্যাপ চালাতে অভ্যস্ত মেহেদী হঠাৎ করেই ডেস্কটপের সামনে যেন থমকে যান। কিবোর্ড আর সফটওয়্যারের জটিলতায় গুলিয়ে যায় তার আত্মবিশ্বাসও। ফলাফলে টানা চতুর্থবারের মতো চাকরি হাতছাড়া হয় তার। 

মেহেদী একা নন। দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে চাকরির বাজারে প্রবেশ করছেন। কিন্তু তাদের একটি বড় অংশ মৌলিক পেশাগত দক্ষতার অভাবে নিয়োগদাতাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী এহতেশাম হোসেন (ছদ্মনাম) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলছিলেন, ‘স্নাতক সম্পন্ন করার পর প্রথম ভাইভাতে আমার চাকরি হয়নি। কারণ হিসেবে পরে বুঝেছি, আমি ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলতে পারিনি। কম্পিউটার সম্পর্কে তুলনামূলক কম জ্ঞান ছিল। 

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুহায়েল আহমেদ বলেন, বর্তমানে এন্ড্রোয়েড ফোন সহজলভ্য ও সহজে বহনযোগ্য। কোভিড-১৯ পরবর্তী মোবাইলে নির্ভরশীলতা বাড়ায় ফোনকে সহজ শেখার মাধ্যম হিসেবে নিয়েছে বর্তমান প্রজন্ম। ফলে আমাদের চাকরির বাজারে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। 

বিশ্ব চাকরিবাজার দ্রুত বদলাচ্ছে, কিন্তু দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম সেই গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পরও অনেক বিভাগ পুরোনো কারিকুলাম অনুসরণ করছে। অথচ কর্মক্ষেত্রে এখন ডিজিটাল দক্ষতা, ডেটা ব্যবস্থাপনা, প্রেজেন্টেশন স্কিল, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।-অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, চেয়ারম্যান, মার্কেটিং বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

ডিগ্রি আছে, দক্ষতা নেই
বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ হাতে নিয়েও অনেক চাকরিপ্রার্থী কম্পিউটার টাইপিং, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট, ই-মেইল লেখা, তথ্য উপস্থাপন কিংবা প্রফেশনাল যোগাযোগের মতো মৌলিক কাজগুলোতে পিছিয়ে রয়েছেন। অনেকেই স্মার্টফোন ব্যবহারে দক্ষ হলেও ডেস্কটপ বা ল্যাপটপভিত্তিক কর্মপরিবেশে নিজেদের মানিয়ে নিতে হিমশিম খান।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৫ অনুযায়ী, যোগ্যতা অনুসারে চাকরি পাচ্ছে না দেশের এক কোটি মানুষ। এছাড়া ১৫-২৯ বছর বয়সী যুব বেকারদের মধ্যে প্রায় ২৯ শতাংশ স্নাতক। একই সঙ্গে শ্রমবাজারে নিরক্ষর শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখে। জরিপে বলা হচ্ছে, দেশে যত বেকার আছে তাদের মধ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ উচ্চ মাধ্যমিক পাস। অর্থাৎ প্রতি পাঁচজন বেকারের একজন স্নাতক বা উচ্চ মাধ্যমিক সনদধারী। শুধু তা-ই নয়, ১৫-২৯ বছর বয়সী যুব বেকারদের মধ্যে প্রায় ২৯ শতাংশ স্নাতক। এর মানে দাঁড়ায় প্রতি তিনজন স্নাতক তরুণের একজন বেকার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা, ব্যবহারিক শিক্ষার অভাব, পুরোনো পাঠ্যক্রম এবং দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের ঘাটতির কারণে বর্তমান চাকরির বাজারে সদ্য পাস করা স্নাতকসম্পন্নকারীদের বাঁধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার ক্লাবের সাবেক সভাপতি ইমন শাহরিয়ার বলছিলেন, বর্তমান চাকরি বাজারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে বেশি অদক্ষ শিক্ষার্থী বের হচ্ছেন। স্নাতক শেষ করার পরও ডেস্কে বসে কম্পিউটার অন করতে পারছেন না অনেকে। কারণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দায়সারা পাঠদান ও যুগোপযোগী কারিকুলাম তৈরি করাকে দায়ী করেছেন তিনি। তিনি বলেন, চাকরি বাজারে দক্ষ জনশক্তির এখনো অনেক অভাব রয়েছে। অথচ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী ইংরেজিতে ভাইভাটা পর্যন্ত দিতে পারছেন না। ইংরেজি শেখা, বেসিক কম্পিউটার জানা ও নেটওয়ার্কিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ দেবে কমিশন্ড অফিসার, আবেদন শেষ ১১ জুলাই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মজিবুল হক আজাদ খানের মতে, সমস্যাটি কেবল শিক্ষার্থীদের নয়; এটি পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতা। তার মতে, রাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে কী ধরনের নাগরিক ও জনশক্তি তৈরি করতে চায়, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও নীতির অভাব রয়েছে। শিক্ষাবিদদের যথাযথ অংশগ্রহণ ছাড়াই শিক্ষানীতি ও সংস্কার প্রক্রিয়া পরিচালিত হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসছে না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, বিশ্ব চাকরিবাজার দ্রুত বদলাচ্ছে, কিন্তু দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম সেই গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে না। তাঁর ভাষায়, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পরও অনেক বিভাগ পুরোনো কারিকুলাম অনুসরণ করছে। অথচ কর্মক্ষেত্রে এখন ডিজিটাল দক্ষতা, ডেটা ব্যবস্থাপনা, প্রেজেন্টেশন স্কিল, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

 প্রজন্মের নতুন চ্যালেঞ্জ স্মার্টফোন 
এক সময় কম্পিউটার শেখা ছিল প্রযুক্তি দক্ষতার প্রধান মাধ্যম। এখন স্মার্টফোন অনেক কাজ সহজ করে দিয়েছে। কিন্তু চাকরির বাজারে অধিকাংশ অফিসিয়াল কাজ এখনো কম্পিউটারনির্ভর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও দেখা কিংবা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারে দক্ষ তরুণদের একটি অংশ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। ফলে স্মার্টফোন প্রজন্মের কাছে চাকরির বাজারে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে আসছে। 

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এইচআর ম্যানেজার স্নিগ্ধা আলম বলেন, বর্তমান চাকরির বাজারে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান থেকে অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। এর কারণ হচ্ছে নতুন গ্রাজুয়েটরা দক্ষতা নিয়ে বের হচ্ছেন না। তাদের বেশিরভাগ বাংলা ও ইংরেজিতে অনর্গলভাবে যোগাযোগ করতে পারছেন না। মাইক্রোসফটের কাজ, ই-মেইল লেখা, প্রেজেন্টেশন দক্ষতা, ডেটা অ্যানালাইসিস, এআই টুল ব্যবহারসহ টিমে কাজ করার সক্ষমতা দেখা মিলছে না। বর্তমান প্রজন্ম সবসময় শর্টকার্ট খুঁজতে থাকে।

‘আমরা যদি বলি আমরা এআই শিখব না, শুধু একাডেমিক সার্টিফিকেট দিয়েই চলবে, তাহলে ঠিক হবে না। আবার এআই আমার জব এনে দেবে, সেটাও ভুল। আমরা যারা পেছানো আছি, কম শিখছি, তাদের বিপদে পড়তে হবে। আমরা যদি সময়ের সঙ্গে দক্ষতাগুলো রপ্ত করতে না পারি, তাহলে যাদের চাকরি চলে যাবে, তাদের তালিকায় পড়ে যাব।’-মো. আবদুল কাইয়ুম, হেড অব কমিউনিকেশনস, ইউএনডিপি

লিংকডইনের সিইও এবং মাইক্রোসফট অফিস ও কোপাইলটের ইভিপি রায়ান রোসলানস্কি একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘ভবিষ্যতের কাজ আর শুধু সেরা ডিগ্রি বা কলেজের কৃতিত্বের ওপর নির্ভর করবে না। বরং এটি নির্ভর করবে তাদের ওপর যারা অভিযোজিত, অগ্রণী চিন্তাভাবনা সম্পন্ন, শেখার জন্য প্রস্তুত এবং এআই টুল ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।’ 

ইউএনডিপি বাংলাদেশের হেড অব কমিউনিকেশনস মো. আবদুল কাইয়ুম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা যদি বলি আমরা এআই শিখব না, শুধু একাডেমিক সার্টিফিকেট দিয়েই চলবে, তাহলে ঠিক হবে না। আবার এআই আমার জব এনে দেবে, সেটাও ভুল। ভবিষ্যতে এআই যেভাবে মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে; ঠিক তেমনি নতুন চাকরির বাজার তৈরি হবে। ফলে আমরা যারা পেছানো আছি, কম শিখছি, তাদের বিপদে পড়তে হবে। আমরা যদি সময়ের সঙ্গে দক্ষতাগুলো রপ্ত করতে না পারি, তাহলে যাদের চাকরি চলে যাবে, তাদের তালিকায় পড়ে যাব।’

৫ গুণকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাকরি ও ক্যারিয়ারের প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে। ভালো চাকরি পাওয়ার জন্য আপনার প্রচেষ্টাই যথেষ্ট নয়। সঙ্গে আরও কিছু বিষয়ে দক্ষতা প্রয়োজন। বর্তমান সময়ে ক্যারিয়ার সফল হতে যে দক্ষতাগুলো প্রয়োজন হয়; ভবিষ্যতে তার পাশাপাশি আরও বহু গুণের প্রয়োজন হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে বা পড়াশোনার পাশাপাশি তরুণ-তরুণীদের প্রধান লক্ষ্য থাকে চাকরি পাওয়া। আর এজন্যই বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শুধু বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা থাকলেই আপনি কাঙ্ক্ষিত চাকরি না-ও পেতে পারেন। বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার সঙ্গে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তারা বর্তমানে চাকরিপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ কর্মীদের ব্যক্তিগত দক্ষতাই প্রতিষ্ঠানের উন্নতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

দেশের বৃহত্তম অনলাইন চাকরি পোর্টাল বিডিজবস ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এ কে এম ফাহিম মাশরুর মনে করেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থান। যারা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে পাস করছে, তাদের জন্য দেশে পর্যাপ্ত চাকরি তৈরি হচ্ছে না। তাদের মধ্যে পর্যাপ্ত দক্ষতা তৈরি না হওয়ার পেছনে দক্ষতা উন্নয়ন বা স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠানের দায় আছে।  গত ১৫-২০ বছর ধরে এ খাতে প্রচুর টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মূল সমস্যা টাকার অভাব নয়, বাস্তবায়নের দুর্বলতা। আমাদের স্থানীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকেরই আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা তৈরির সক্ষমতা নেই।

আরও পড়ুন: সন্তানের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন অভিভাবকরা?

চাকরির বাজারে প্রবেশের আগে এমন ১০টি দক্ষতার কথা বলছেন ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে সার্টিফেকে ভালো রেজাল্টের পাশাপাশি মাইক্রোসফট এক্সেল, পারসোনাল ব্র্যান্ডিং ও নেটওয়ার্কিং, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ফাউন্ডেশনস, থিঙ্কিং, টাইম ম্যানেজমেন্ট, যোগাযোগ দক্ষতা, ক্রিটিকাল থিংকিং ও নেতৃত্বগুণ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নিজের ক্যারিয়ার বিষয়ে বিশ্লেষণ করতে অন্য কারো সহায়তা নেওয়া খুব একটা কার্যকর হয় না। নিজের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হয়। এতে নিজের দুর্বলতা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলোও সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, শুধু সিভি দিয়ে চাকরি পাওয়া যায় না। ইন্টারভিউতে দক্ষতার প্রমাণ দেওয়ায় সমানভাবে জরুরি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাস্তবসম্মত ও যুগান…
  • ০৭ জুন ২০২৬
শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসির রায়
  • ০৭ জুন ২০২৬
টেরিটরি সেলস অফিসার নিয়োগ দেবে আবুল খায়ের গ্রুপ, আবেদন অভি…
  • ০৭ জুন ২০২৬
জাম পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যু
  • ০৭ জুন ২০২৬
১২ হাজার শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্…
  • ০৭ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ দেশি-বিদেশি ১৫০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গ…
  • ০৭ জুন ২০২৬