প্রাথমিকের আরও দুই শিক্ষিকা বহিষ্কার

০৪ আগস্ট ২০১৯, ০৪:০০ PM

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরও দুই শিক্ষিকাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন ও নিরীক্ষণে অবহেলা করায় তাদের বহিষ্কার করেছে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। গত ৩১ জুলাই এক অফিস আদেশে কালীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুবিনা খাতুন ও পাপিয়া খাতুনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ১ অগাস্ট থেকে তাদের এই বহিষ্কার আদেশ কার্যকর হয়েছে।

তবে পাপিয়া খাতুন বর্তমানে হাটবাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন।

বহিষ্কারের বিষয়ে বলা হয়, ২০১৮ সালে সমাপনী পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্বে ছিলেন রুবিনা খাতুন এবং নিরীক্ষক ছিলেন পাপিয়া খাতুন। তারা উভয়ে পরীক্ষার্থী আরাফাত সিদ্দিক অহনের ( রােল নম্বর ৩৯৩০) বালাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও নিরীক্ষণের দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্ত ওই বিষয়ের মােট নম্বরের ঘরে যােগফল ৯৬ এর স্থলে ৭৬ লেখা হয়েছে। পরে দু’জনের কেউ তা সংশােধন করে নাই। ফলে ওই শিক্ষার্থীর ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে।

আরও বলা হয়, তাদের এরূপ কার্যকলাপ সরকারি দায়-দায়িত্ব পালনে অবহেলা জনিত অসাদাচরণের সামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিধায় আপনাকে সৱকারি কর্মচারী শৃংখলা ও আপীল বিধি ২০১৮ এর ২(আ) এবং ৩(খ) অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলা জনিত অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত করা হল এবং একই বিধিমালার ১২এর উপবিধি(১) মােতাবেক সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হল।

পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষিকা নার্গিসের বহিষ্কার প্রত্যাহার

অফিস আদেশে বলা হয়, সাময়িকভাবে বরখাস্তকালীন সময়ে তারা কর্মস্থলেই অবস্থান করবেন এবং কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতীত অন্যত্র যেতে পারবেন না। অন্য কোন চাকুরি বা পেশা গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে তারা বিধি মােতাবেক খােরপােষভাতা প্রাপ্য হবেন। তাদের বহিষ্কার আদেশ ১ অগাস্ট হতে কার্যকর হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষিকা বরখাস্ত, প্রতিবাদের ঝড়

এর আগে চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে না পাড়ার অজুহাতে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবিকে সাময়িক বরখাস্ত করায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তবে তাকে বরখাস্ত করে জারি করা চিঠির ২২ জায়গায় ভুল করেছেন খোদ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামান।

জানা গেছে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান ৩০ জুলাই ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসেন। এ সময় বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে না। তাই, অফিসে ফিরে তিনি ৩১ জুলাই ওই স্কুল ইংরেজির সহকারী শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবিকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

বৃহস্পতিবার থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে। কিন্তু ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সেই চিঠিতেই রয়েছে ২২টি ভুল। এ নিয়ে ঝিনাইদহের শিক্ষক মহলে একদিকে যেমন চলছে সমালোচনা।

পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষকদের সুখ দুঃখ

পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষিকা নার্গিসের বহিষ্কার প্রত্যাহার

চলন্ত ট্রেনে পাথরের আঘাতে চোখ হারানো বাউবি শিক্ষার্থীকে আর্…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলায় আহত ৮
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাবিতে ফের সমকামিতার অভিযোগ, দুই ছাত্রকে হল থেকে বহিষ্কার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলার অভিযোগ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী কারাগারে
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভার…
  • ১১ আগস্ট ২০২৬