মাইলস্টোনে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ © সংগৃহীত
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে স্কুল সংলগ্ন গোলচত্বর এলাকায় তারা এ বিক্ষোভ শুরু করেন। তবে দুপুর সোয়া দুইটার দিকে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ইট-পাটকেল ছোঁড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। এতে তিন জন আহত হয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, দুপুর সোয়া দুইটার দিকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ইট-পাটকেল ছোঁড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত তিন জনের মাথা ফেটে গেছে। আহতদেরকে এখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টা ১০ মিনিটে অতিরিক্ত পুলিশ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে পুলিশ ভেতরে যায়। এরপর শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ আরও বাড়ে। সেখানে আরও কয়েকজন উপদেষ্টা ও শীর্ষ কর্মকর্তারও রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে নিতে হবে।
এর কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীরা পুলিশকে ধাওয়া দিয়ে প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে পাঠিয়ে দেয়। তখন পুলিশের পক্ষ থেকেও পাল্টা ধাওয়া দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা মূল ফটকের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং কলেজ ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করে।
এ সময় জানালার কাচ ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়—শিক্ষার্থীরা যেন মাঠ ছেড়ে যায়, কারণ বহিরাগত ও সন্ত্রাসীরা ভেতরে প্রবেশ করছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে তাদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।