ভর্তি বাতিলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে ভিকারুননিসার ১৬৯ ভুক্তভোগী ছাত্রীরা

১৬ মার্চ ২০২৪, ০৭:০৫ PM , আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫১ PM

© সংগৃহীত

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বয়সের মারপ্যাঁচে ভর্তি বাতিল হওয়া ১৬৯ শিশু শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। অনেকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। কেউ আবার স্কুল ড্রেস পরে সারাক্ষণ বসে থাকছে, কাঁদছে। এমন পরিস্থিতিতে ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

শনিবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন অভিভাবকরা। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সরকারের সর্বোচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

তারা জানান, আড়াই মাস স্কুলে ক্লাস করার পর হঠাৎ ভর্তি বাতিল ও স্কুলে যাওয়া বন্ধ হওয়ায় শিশুরা এখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে। এসব শিশু শিক্ষার্থী মন-মননে তাদের স্কুলকে ধারণ করে নিয়েছে। কোন অপরাধে তাদের এখন ভিকারুননিসা স্কুল ছেড়ে যেতে হবে? গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তারা বেইলি রোডের মূল শাখা, আজিমপুর, ধানমন্ডি ও বসুন্ধরা শাখার শিক্ষার্থী।

২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ না করে ১ জানুয়ারি ২০১৭ সালের পূর্বে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হয়— এমন অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের রিট করেন দুজন অভিভাবক। এরপর তাদের ভর্তি বাতিল করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। যদিও এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন অভিভাবকরা।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবক কায়সার হোসাইন বলেন, বয়সসীমার যে কথা এখন বলা হচ্ছে, সেটা ভর্তির সময় কেন বলা হয়নি? আমরা সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অনলাইন আবেদন করে ভর্তি করিয়েছি। মাউশির লটারির ফলাফলেও তাদের নাম ছিল। সেই তালিকা থেকেই ভিকারুননিসা স্কুল বাচ্চাদের ভর্তি করানো হয়েছে। তিনমাস পর কেন ভর্তি বাতিল করা হলো?

তিনি জানান, এ শিশুরা ভিকারুননিসা ছাড়া রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার ও সাউথ পয়েন্ট স্কুলসহ বিভিন্ন স্কুলের ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল। তখন এ বয়সের বিষয়টি বলা হলে বাচ্চাদের অন্য স্কুলে ভর্তি করাতাম।

অভিভাবক মমতাজুর রায়হান বলেন, সব জায়গা থেকে বলা হচ্ছে এ বাচ্চাদের নাকি প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে, টাকার বিনিময়ে ভর্তি করানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ প্রথম শ্রেণিতে কেন্দ্রীয় লটারির মাধ্যমে ভর্তির যোগ্যদের তালিকা করা হয়। সেই তালিকা স্কুল কর্তৃপক্ষকে পাঠায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। তাই ভর্তিতে কোনো অনিয়ম করার সুযোগ নেই, এটা সবাই জানে। তারপরও আমাদের ওপর অভিযোগ আনা হচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।

সংবাদ সম্মেলনে সৌমিত্র দে তপু, রওশন আরা আফরোজ, রাহাত আহমেদসহ অর্ধশতাধিক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।

শেকৃবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
‘সুরভি স্কুল’ পরিদর্শন করলেন মার্কিন বিশেষ দূত, শিশু কল্যাণ…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
‘সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট’ সংবাদ আমলে নিয়ে গঠন হচ্ছে তদন্ত ক…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষকের আমরণ অনশন
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
বাসভাড়া কত টাকা করে বাড়বে, জানা যাবে কাল
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবির হলে নবীনদের ‘নিজেদের ফ্লোরে’ তুলছে ছাত্রদল: বাকের
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬