ঈদের আগে বেতন নিয়ে শঙ্কায় মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকরা

০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৭ PM , আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৮:০০ PM
মাদ্রাসা শিক্ষক

মাদ্রাসা শিক্ষক © ফাইল ছবি

সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ পাওয়া মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন না হওয়ায় তারা এখনো এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারছেন না। সংশোধিত এমপিও নীতিমালা জারি না হওয়ায় সৃষ্ট এই জটিলতায় আসন্ন ঈদুল ফিতর বেতন ছাড়াই উদযাপনের শঙ্কায় পড়েছেন তারা।

ভুক্তভোগী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ পাওয়ার পর গত জানুয়ারি মাসে তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেন। তবে যোগদানের পর এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো বেতন পাননি। ফলে বেতন ছাড়াই টানা এক মাস ধরে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে তাদের। গ্রেড বৈষম্য এবং ঈদের আগে বেতন অনিশ্চয়তায় চরম হতাশায় ভুগছেন এসব শিক্ষক।

শিক্ষকদের অভিযোগ, ১০ম গ্রেড উল্লেখ করে পাঠানো একাধিক এমপিও ফাইল বাতিল (রিজেক্ট) করা হয়েছে। এর ফলে মাদ্রাসা পর্যায়ের কৃষি বিষয়ের প্রায় ৫০০ শিক্ষক এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা জারি না হওয়ায় এ জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানান তারা।

তাদের দাবি, স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে কৃষি সহকারী শিক্ষক পদটি ১০ম গ্রেডভুক্ত হলেও মাদ্রাসা পর্যায়ে একই পদে ১১তম গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে, যা স্পষ্ট বৈষম্যমূলক। একই বিষয় ও শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু প্রতিষ্ঠানভেদে গ্রেড কমিয়ে দেওয়ায় পেশাগত মর্যাদা ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

শিক্ষকরা আরও জানান, ১০ম গ্রেড উল্লেখ করে এমপিও ফাইল পাঠালে কেন্দ্রীয় প্রোগ্রামার তা বাতিল করে দিচ্ছেন। বর্তমানে ফাইল পুনরায় পাঠানোর সময়সীমা প্রতি মাসের ১ থেকে ৪ তারিখ পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। ফলে গ্রেড সংশোধন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় নতুন করে ফাইল পাঠানোও সম্ভব হচ্ছে না। এতে চলতি (মার্চ) মাসেও একই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আব্দুল করিম নামে ভুক্তভোগী এক শিক্ষক জানান, পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন তারা। সংসার চালানো, বাবা-মার চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত গ্রেড বৈষম্য নিরসন করে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানান তিনি।

মো. মাসুদ নামে আরেক শিক্ষক বলেন, পরিবারের সবাই ঈদের প্রস্তুতির কথা বলছে, কিন্তু বেতন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। আমাদের এমপিও ফাইল ১ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে পাঠাতে না পারলে বেতন ও ঈদ বোনাস পাব না। অথচ গ্রেড বৈষম্যের কারণে পাঠানো ফাইল বারবার বাতিল হচ্ছে। তীব্র দারিদ্র্যের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস-কে বলেন, “মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের সংশোধিত এমপিও নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে। এটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন শিক্ষামন্ত্রী। এজন্য কিছুটা সময় লাগবে। শিক্ষকদের বৈষম্য দূর করতে কাজ করা হচ্ছে।”

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লরিতে আগুন, এক ঘণ্টা বন্ধ যান চলাচল
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
দুই দফা দাবিতে সারাদেশে ডেন্টাল চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের মান…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
শূন্যরান দিয়ে ৫ উইকেট! পাকিস্তানকে গুড়িয়ে ১৪৯ বছরের রেকর্ড…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ: শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শ…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
সমাজসেবা অধিদফতরে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
ট্রেইনি জোনাল ম্যানেজার নিয়োগে বড় বিজ্ঞপ্তি আরএফএল গ্রুপে, …
  • ২৮ জুলাই ২০২৬